আজকাল ওয়েবডেস্ক: জার্মানির গুরুদ্বারে গোষ্ঠী সংঘর্ষের জেরে আহত কমপক্ষে ১১ জন। ঘটনাটি ঘটে জার্মানির মোয়ের্স শহরে। এখন পর্যন্ত ঘটনার সঠিক কারণ জানা যায়নি। তবে পুলিশের অনুমান গুরুদ্বারের পরিচালন সমিতির নতুন অধিকর্তা নির্বাচন নিয়েই উত্তপ্ত হয়ে ওঠে পরিস্থিতি। তবে ঘটনার পিছনে অন্য কারণ আছে কিনা, তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে পুলিশের তরফে।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, রবিবার জার্মান সময় দুপুর আড়াইটে নাগাদ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। সঙ্গে সঙ্গে সংঘর্ষের ছবি সমাজমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। ভিডিয়োতে দেখা যায়, গুরুদ্বারে দু'পক্ষের মধ্যে চলছে হাতাহাতি। সংঘর্ষের সময় ছুরি, কৃপাণের মতো ধারালো অস্ত্র ব্যবহারের দৃশ্যও নজরে আসে। জার্মান সংবাদপত্র বিল্ডের রিপোর্ট অনুযায়ী, প্রত্যক্ষদর্শীদের একাংশ জানিয়েছেন, গুরুদ্বারে এ দিন গুলিও চালানো হয়। ভয়ের চোটে ঘটনাস্থল ছেড়ে পালান বহু মানুষ। জানা গেছে, প্রায় ৪০ জন সংঘর্ষের ঘটনায় জড়িত ছিলেন বলে জানা গিয়েছে। কেউ কেউ 'পেপার স্প্রে' বা আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহার করেছিলেন বলেও অভিযোগ। ঘটনায় আহতদের প্রাথমিক চিকিৎসার পর ছেড়ে দেওয়া হয়।
সোমবার ঘটনা নিয়ে একজন ৫৬ বছর বয়সি প্রত্যক্ষদর্শী বিল্ডকে জানান, মনে হয় ঘটনাটি পূর্বপরিকল্পিত। গুরুদ্বারের তহবিল সঙ্ক্রান্ত বিষয়ে পরিচালন সমিতির পুরনো এবং বর্তমান সদস্যদের মধ্যে মতপার্থক্য ছিল। গুরুদ্বার পরিচালনা নিয়ে বেশ কিছুদিন ধরেই চলছিল দ্বন্দ্ব। গুরুদ্বার পরিচালনার রাশ কার হাতে থাকবে, তা নিয়েও চলছিল বাদানুবাদ। তিনি বলেন, "প্রার্থনা শুরুর ঠিক আগেই একজন 'পেপার স্প্রে' ছিটিয়ে প্রতিপক্ষকে আক্রমণ করেন। এর পরেই একজন পিস্তল বের করে গুলি চালায়। এমনকি একজনের হাতে ছুরিও দেখতে পাই।"
জানা গেছে, অভিযুক্ত একজনকে তৎক্ষণাৎ পুলিশি হেফাজতে নেওয়া হয়। শুরু হয়েছে পুলিশি তদন্তও। অকুস্থলে গুলির আওয়াজ পাওয়া গেলেও তদন্তকারী দল এখনও আগ্নেয়াত্র বাজেয়াপ্ত করে উঠতে পারেনি।















