আজকাল ওয়েবডেস্ক: ঘরে বসে পছন্দের খাবার আনানোর খরচ এক ধাক্কায় কিছুটা বেড়ে গেল। অনলাইন খাবার সরবরাহকারী সংস্থা জোম্যাটো তাদের ‘প্ল্যাটফর্ম ফি’ বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। শুক্রবার সংস্থার অ্যাপে দেখা গিয়েছে, অর্ডার পিছু এখন থেকে বাড়তি ২.৪০ টাকা গুনতে হবে গ্রাহকদের। ফলে আগের ১২.৫০ টাকার বদলে এখন এই ফি দিতে হবে ১৪.৯০ টাকা।

সংস্থা সূত্রে খবর, সারা দেশেই এই বর্ধিত হার কার্যকর করা হয়েছে। এর আগে গত বছর সেপ্টেম্বর মাসে শেষ বার এই ফি বাড়িয়েছিল জোম্যাটো। অন্যদিকে, তাদের প্রধান প্রতিযোগী সুইগি প্রতিটি অর্ডারে এখন ১৪.৯৯ টাকা (জিএসটি সহ) কর নিচ্ছে।

তবে প্রতিযোগিতার বাজারে উল্টো পথে হেঁটেছে এই ক্ষেত্রের তৃতীয় বড় সংস্থা ‘ম্যাজিকপিন’। তাদের প্ল্যাটফর্ম ফি বর্তমানে ১৪.২০ টাকা। সংস্থার কর্ণধার অংশু শর্মা স্পষ্ট জানিয়েছেন, খরচ বাড়লেও আপাতত তাঁরা কর বাড়িয়ে গ্রাহক বা রেস্তোরাঁ মালিকদের ওপর বাড়তি বোঝা চাপাতে চান না।

কেন এই দাম বৃদ্ধি? বিশেষজ্ঞদের মতে, পশ্চিম এশিয়ায় যুদ্ধের আবহে অপরিশোধিত তেলের দাম যেভাবে বাড়ছে, তাতে ডেলিভারি খরচ সামাল দিতেই এই পদক্ষেপ করেছে জোম্যাটো। এর ফলে উৎসবের মরসুমের মুখে লক্ষ লক্ষ গ্রাহকের পকেটে যে টান পড়বে, তা বলাই বাহুল্য।

অন্যদিকে, বিশ্বব্যাপী যুদ্ধের আবহে স্বস্তি দিল দুই ভারতীয় জাহাজ। রান্নার গ্যাস বোঝাই ‘নন্দাদেবী’ ও ‘শিবালিক’ গুজরাটের বন্দরে নিরাপদে পৌঁছেছে। এই দুই জাহাজে যে পরিমাণ গ্যাস এসেছে, তা ভারতের এক দিনের চাহিদার সমান। তবে হরমুজ প্রণালীতে এখনও আটকে রয়েছেন আরও ৬১১ জন ভারতীয় নাবিক। তাঁদের ফেরাতে তৎপর দিল্লি।

প্রসঙ্গত, যুদ্ধ শুরু হতেই বিশ্ববাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম এক ধাক্কায় অনেকটা বেড়ে গিয়েছে। ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ব্যারেল প্রতি ১০৩ ডলার ছাড়িয়েছে। অন্যদিকে, যুদ্ধের জেরে মার্কিন প্রশাসনের অন্দরেও বিদ্রোহ শুরু হয়েছে। ট্রাম্পের ইরান নীতির প্রতিবাদে ইস্তফা দিয়েছেন সে দেশের সন্ত্রাসদমন শাখার প্রধান জো কেন্ট। তাঁর অভিযোগ, ইজরায়েলি লবির চাপে অকারণ এই যুদ্ধ শুরু করেছে ট্রাম্প সরকার।

এরই মধ্যে বুধবার ভোরে লেবাননের রাজধানী বেইরুটেও ব্যাপক বিমান হামলা চালিয়েছে ইজরায়েল। কোনও সতর্কতা ছাড়াই সাধারণ মানুষের বাসস্থানে বোমা পড়ার খবর মিলেছে।