আজকাল ওয়েবডেস্ক: মাঝে মধ্যেই অভিযোগ ওঠে অতিরিক্ত ফি নেওয়ার। এবার এর জেরে চাকরি গেল ফার্মাসিস্টের। অভিযোগ, রোগীর থেকে এক টাকা বেশি ফি নেওয়া হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে উত্তরপ্রদেশের একটি কমিউনিটি হেলথ সেন্টারে। 

 

 

ওই ব্যক্তি চুক্তিভিত্তিক কর্মী বলে জানা গিয়েছে। সিএইচসিতে রোগী দেখার জন্য ফি নেওয়া হয় এক টাকা। সেখানে দু'টাকা নেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ। আচমকাই স্থানীয় বিজেপি বিধায়ক ওই স্বাস্থ্যকেন্দ্র পরিদর্শনে আসেন। সেখানেই তিনি খেয়াল করেন এইভাবে রোগীদের থেকে অতিরিক্ত টাকা চাওয়া হচ্ছে। 

 


এই ঘটনায় যথেষ্ট ক্ষুব্ধ বিজেপি বিধায়ক। তিনি জানিয়েছেন, রাষ্ট্র এই ধরনের স্বাস্থ্যকেন্দ্র বানিয়েছে গরিব মানুষদের সুবিধে দিতে। সেইভাবে নিয়ম মেনে কাজ করতে হবে সেখানে নিয়োজিত সকলকে। কিন্তু তার পরিবর্তে তিনি এদিন গিয়ে অন্য রূপ দেখেন। 

 

 

তিনি আবিষ্কার করেন,  যে অভিযুক্ত ফার্মাসিস্ট প্রেসক্রিপশনের জন্য রোগীদের কাছ থেকে ১ টাকার পরিবর্তে ২ টাকা নিচ্ছেন।  এরপরই তিনি বিষয়টি খতিয়ে দেখতে রোগীদের এবং তাঁর আত্মীয়স্বজনের সঙ্গে কথা বলেন। জানতে চান, সমস্ত সুযোগ সুবিধে রোগীরা পাচ্ছেন কী না। তখনই পুরো বিষয়টা পরিষ্কার হয় তাঁর কাছে। শুধু অতিরিক্ত টাকা চাওয়াই নয়, এর সঙ্গে প্রসবের জন্য সরকারী সহায়তা সময়মত পাওয়া যায় না, এমনকি স্বাস্থ্যকেন্দ্রে রাতে মহিলা ডাক্তার থাকেন না, ফলে রোগীদের অসুবিধে হয় একথা জানিয়ে বিধায়কের কাছে অভিযোগ জানান উপস্থিত বাড়ির লোকেরা। এমনকী অভিযোগ করা হয়, স্বাস্থ্যকেন্দ্রের নিজস্ব ওষুধ বাদ দিয়ে বাইরের মেডিক্যাল স্টোর থেকে ওষুধ দেওয়া হয় রোগীদের। 

 


এরপরই পদক্ষেপ নেন বিজেপি বিধায়ক। জানা গিয়েছে, অভিযুক্ত ওই ফার্মাসিস্টের নাম সঞ্জয়। গরীব রোগীদের কাছ থেকে ১ টাকা নেওয়ার পরিবর্তে অতিরিক্ত টাকা নেওয়া হচ্ছে এই অভিযোগে বরখাস্ত করা হয় সঞ্জয়কে। অভিযুক্ত ব্যক্তি ওই স্বাস্থ্যকেন্দ্রে অস্থায়ী কর্মী ছিলেন বলে জানা গিয়েছে। তার সঙ্গে আরও কারা জড়িত তা খতিয়ে দেখার নির্দেশ দিয়েছেন বিধায়ক।