আজকাল ওয়েবডেস্ক: ১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ সালের কেন্দ্রীয় বাজেট ঘোষণা করা হবে। সকলেই তাকিয়ে আছেন অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামনের দিকে। সকলেরই আগ্রহ বাজেটে গুরুত্বপূর্ণ নীতি পরিবর্তনের কথা ঘোষণা করতে পারেন নির্মলা। বাজেট ভাষণ কেন্দ্রীয় বাজেটের একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ। এর দৈর্ঘ্য এবং গভীরতা নীতি সংস্কারগুলিকে তুলে ধরে। কিন্তু আপনি কি জানেন বাজেট ভাষণ কতটা দীর্ঘ হতে পারে? আজকের প্রতিবেদনে ভারতের ইতিহাসে সবচেয়ে দীর্ঘ এবং সবচেয়ে সংক্ষিপ্ত বাজেট ভাষণ সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরা হবে।

সবচেয়ে দীর্ঘ বাজেট বক্তৃতাটি ২০২০ সালের ১ ফেব্রুয়ারি পেশ করেছিলেন নির্মলা। বক্তৃতাটি প্রায় ২ ঘণ্টা ৪২ মিনিট দীর্ঘ ছিল এবং এতে প্রায় ১১,০০০ শব্দ ছিল। এতে কৃষি, পরিকাঠামো, অর্থ, কর এবং সমাজকল্যাণের মতো বিভিন্ন বিষয় অন্তর্ভুক্ত ছিল। বক্তৃতাটি এতটাই দীর্ঘ ছিল যে, অর্থমন্ত্রী ক্লান্ত হয়ে মাঝপথে বিরতি নিতে বাধ্য হন। ফলস্বরূপ, বক্তৃতার বাকি অংশ সংসদে পেশ করা হয়।

প্রাক্তন অর্থমন্ত্রী যশবন্ত সিং ২০০৩-০৪ সালে একটি দীর্ঘ বাজেট বক্তৃতা পেশ করেছিলেন। তাঁর বক্তৃতাটি প্রায় সওয়া ২ ঘণ্টা ধরে চলেছিল। তাঁর বক্তৃতা তিনি আর্থিক একত্রীকরণ, অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা এবং পুনরুদ্ধার নিয়ে আলোচনা করেছিলেন।

মনমোহন সিংয়ের ভাষণটিও অন্যতম সেরা ভাষণ হিসেবে গণ্য হয়। এর প্রধান কারণ, এর ঐতিহাসিক প্রভাব। ভাষণটি প্রায় ২ ঘণ্টা ধরে চলেছিল। এটি একটি বড় অর্থনৈতিক সঙ্কটের সময়ে দেওয়া হয়েছিল। এটি ভারতের অর্থনৈতিক উদারীকরণের ভিত্তি স্থাপন করেছিল। ভাষণে প্রধান যে বিষয়গুলো আলোচিত হয়েছিল সেগুলো হল, বেসরকারীকরণ, নিয়ন্ত্রণ শিথিল এবং বিশ্বের কাছে ভারতের বাজার উন্মুক্ত করা। এই ভাষণটিকে ইতিহাসের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ভাষণ হিসেবে বিবেচনা করা হয়।

সবচেয়ে সংক্ষিপ্ত বাজেট বক্তৃতাটি দিয়েছিলেন হিরুভাই মুলজিভাই প্যাটেল, ১৯৭৭ সালে। ১৯৭৭-৭৮ সালের অন্তর্বর্তী বাজেটের জন্য দেওয়া সেই বক্তৃতাটি ছিল মাত্র ৮০০ শব্দের।