আজকাল ওয়েবডেস্ক: সমকামী সম্পর্কের জন্য নিজের বোনঝিকে জোরাজুরি। কিশোরী বোনঝির সঙ্গে যৌন সম্পর্কে লিপ্ত হওয়ার জন্য কাকুতি মিনতি। প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায়, কিশোরীকে শ্বাসরোধ করে খুনের অভিযোগ উঠেছে মাসির বিরুদ্ধে। 

সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা গেছে ঘটনাটি ঘটেছে বিহারের মুঙ্গের জেলায়। পুলিশ জানিয়েছে, কিশোরী বোনঝিকে সমকামী সম্পর্কে জড়ানোর জন্য জোরাজুরি করেছিলেন মাসি। সেই সম্পর্কে আবদ্ধ হতে রাজি না হওয়ায়, বোনঝিকে খুনের অভিযোগ উঠেছে মাসির বিরুদ্ধে। 

পুলিশ আরও জানিয়েছে, ১৬ বছরের কিশোরীর গলায় রুদ্রাক্ষের মালা জড়িয়ে, শ্বাসরোধ করে খুন করেন তার মাসি। শুধুমাত্র নিজের বোনঝিকে নয়, আরও একাধিক কিশোরীকে টার্গেট করেছিলেন ওই মহিলা। মূলত যারা আর্থিকভাবে দুর্বল। আর্থিক সাহায্যের প্রলোভন দেখিয়ে সমকামী সম্পর্কে যাওয়ার জন্য জোরাজুরি করতেন তিনি।

ঘটনাটি ঘিরে কুটলুপুর গ্রামে। কিশোরীর দেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠিয়েছে পুলিশ। অন্যদিকে মৃত কিশোরীর পরিবার ও স্থানীয়রা জানিয়েছেন, অভিযুক্ত ওই মহিলা কাজল সমকামী সম্পর্কে বিশ্বাসী হলেও, এক যুবকের সঙ্গে থাকতেন। গ্রামের একাধিক কমবয়সিদের সঙ্গে যৌন সম্পর্কে লিপ্ত হওয়ার প্রস্তাব দিয়েছিলেন। এমনকী সমকামী সম্পর্কে যাওয়ার জন্যেও জোরজবরদস্তি করতেন। কিশোরীকেও সেই প্রস্তাব দিয়েছিলেন। সেই প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় কিশোরীকে খুন করেন। 

গত বছর নভেম্বর মাসে আরেকটি নৃশংস ঘটনা ঘটেছিল। ব্রেকফাস্টের মাঝেই লুটিয়ে পড়েছিল ছ'মাসের শিশু। পুলিশকে জানানোর আগেই খবর দেওয়া হয়েছিল। এক মাস পর ফাঁস ঘাতক মায়ের কীর্তি। সমকামী বান্ধবীর সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কের জেরে ছ'মাসের সন্তানকে নির্মমভাবে খুনের অভিযোগ উঠেছিল মায়ের বিরুদ্ধে। অবশেষে ঘাতক মা ও তার সমকামী বান্ধবীকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। 

সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা গেছে, ঘটনাটি ঘটেছিল তামিলনাড়ুতে। রবিবার পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, সন্তানকে খুনের অভিযোগে মা ও তার সমকামী সঙ্গীকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। দিন কয়েক আগে সন্তানের খুনের অভিযোগ দায়ের করেছিলেন বাবা‌। 

পুলিশ সূত্রে আরও জানা গেছে, ঘটনাটি ঘটেছে কৃষ্ণগিরি জেলায়। গত মাসে ব্রেকফাস্ট করার সময়েই ছ'মাসের এক শিশুর রহস্যমৃত্যুর ঘটনা ঘটে। তার বাবার অভিযোগ, সন্তানের মৃত্যু স্বাভাবিক ছিল না। তাকে কেউ বা কারা পরিকল্পনামাফিক খুন করেছে। ঘটনায় রহস্যমৃত্যুর মামলা রুজু করে পুলিশ। তবে শিশুটির দেহ ময়নাতদন্ত করা হয়নি‌। পুলিশকে জানানোর আগেই বাড়ির অদূরে কবর দেওয়া হয়েছিল। 

এই ঘটনার পরেই সমকামী বান্ধবীর সঙ্গে স্ত্রীর ঘনিষ্ঠ, অন্তরঙ্গ মুহূর্তের ছবি নজরে পড়ে স্বামীর। তিনি পুলিশকে জানান, এই সম্পর্কের চাপেই সন্তানকে খুন করতে পারে তাঁর স্ত্রী। এরপরই কবর থেকে শিশুর দেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠায় পুলিশ। ময়নাতদন্তের রিপোর্টে জানা গেছে, তাকে গলা টিপে, শ্বাসরোধ করে খুন করা হয়েছে। 

দীর্ঘ জেরায় অভিযুক্ত মা স্বীকার করেছে, স্বামীর সন্তানকে সে নিজের কাছে আর রাখতে চায়নি। দাম্পত্য কলহের জেরে সমকামী বান্ধবীর সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। এমনকী স্বামী তার কোনও যত্ন নিতেন না। সমকামী প্রেমের সম্পর্কের কারণেই সন্তানকে খুন করে সে।