আজকাল ওয়েবডেস্ক: একের পর এক মোটরবাইক দুর্ঘটনা। কোথাও ট্রাকের সঙ্গে ধাক্কা, কোথাও আবার গাছে ধাক্কা। ভয়াবহ দুর্ঘটনায় সাতজনের মৃত্যু হয়েছে।
সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা গেছে ভয়াবহ দু'টি দুর্ঘটনা ঘটেছে ঝাড়খণ্ডে। মঙ্গলবার পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, পৃথক দু'টি দুর্ঘটনায় সাতজনের মৃত্যু হয়েছে। সোমবার ওয়েস্ট সিংভুম জেলায় ট্রাকের সঙ্গে মোটরবাইকের সজোরে ধাক্কা লাগে। মোটরবাইকের চারজন আরোহীর মৃত্যু হয়েছে। দুর্ঘটনাটি ঘটেছে করাইকেলা থানার অন্তর্গত এলাকায়।
মোটরবাইকটিতে চারজন ছিলেন। ট্রাকটি ওভারটেক করার চেষ্টা করছিলেন। ওভারটেক করার সময়েই নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ট্রাকে ধাক্কা লাগে। মোটরবাইক থেকে রাস্তায় ছিটকে পড়তেই ঘটনাস্থলে চারজনের মৃত্যু হয়েছে। মৃত আরোহীদের বয়স ১৯ থেকে ২০ বছরের মধ্যে। বাইকটি বেপরোয়া গতিতে চলছিল বলেই পুলিশ জানিয়েছে। ট্রাক চালকের কোনও দোষ ছিল না।
সোমবার রাতেই আরেকটি দুর্ঘটনা ঘটেছে গুমলা জেলায়। কোটারি গ্রামের কাছে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে গাছে ধাক্কা মারে আরেকটি মোটরসাইকেল। দুর্ঘটনায় তিন কিশোরের মৃত্যু হয়েছে ঘটনাস্থলে। পুলিশ আধিকারিক মহম্মদ জাহাঙ্গীর জানিয়েছেন, মৃতদের বয়স ১৬ থেকে ১৭ বছরের মধ্যে।
কোটারি গ্রামে একটি বিয়ের অনুষ্ঠানে গিয়েছিল ওই কিশোররা। বাড়ি ফেরার পথেই মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে গাছে ধাক্কা লাগে মোটরসাইকেলটির। সেটিও বেপরোয়া গতিতে যাচ্ছিল বলেই প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন।
গত বছর নভেম্বর মাসে এমন আরেকটি দুর্ঘটনা ঘটেছিল। বেপরোয়া গতির জেরে আরেকটি ভয়ঙ্কর দুর্ঘটনা ঘটেছিল। জন্মদিনের পার্টি সেরে আর বাড়ি ফেরা হয়নি। বেপরোয়া গতির বলি পাঁচ বন্ধু। রবিবার ভোরবেলায় ভয়ঙ্কর দুর্ঘটনায় ঘটনাস্থলেই একসঙ্গে মারা যান তাঁরা। দুর্ঘটনার ভয়াবহতায় শিউরে ওঠে খোদ পুলিশ।
সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা গেছে, দুর্ঘটনাটি ঘটেছিল রবিবার ভোরবেলায় মধ্যপ্রদেশে। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গোয়ালিয়র-ঝাঁসি হাইওয়েতে দুর্ঘটনার কবলে পড়ে একটি বেপরোয়া গতির গাড়ি। এসইউভি গাড়িতে ছিলেন একদল যুবক। তাঁরা সকলেই একে অপরের বন্ধু ছিলেন। দুর্ঘটনায় ঘটনাস্থলেই পাঁচ বন্ধুর মৃত্যু হয়েছিল।
পুলিশ আরও জানিয়েছে, মারওয়া কলেজের সামনে ভোর ছ'টা নাগাদ দুর্ঘটনাটি ঘটেছিল। গাড়িটিও বেপরোয়া গতিতে যাচ্ছিল। আচমকা দ্রুত গতিতে যাওয়ার সময় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বালিবোঝাই ট্র্যাক্টরে সজোরে ধাক্কা দেয়। নিমেষে দুমড়ে মুচড়ে ছড়িয়ে ছিটিয়ে পড়ে গাড়ির বিভিন্ন অংশ। গাড়ির সকল যাত্রীর মৃত্যু হয় ঘটনাস্থলে। পাঁচ বন্ধুই গোয়ালিয়রের বাসিন্দা ছিলেন।
জানা গেছে, গাড়িটি ঝাঁসি থেকে গোয়ালিয়রের দিকেই যাচ্ছিল। জন্মদিনের পার্টি সেরে সকলে একসঙ্গে বাড়ি ফিরছিলেন। পুলিশের প্রাথমিক অনুমান, গাড়িটি ১২০ কিমি/ঘণ্টা গতিবেগে যাচ্ছিল। দুর্ঘটনার পর গাড়িটি এমনভাবে দুমড়ে যায়, যা একনজরে দেখে চেনাও যায়নি। ট্র্যাক্টরের তলায় পিষে যায় খানিকটা। দুর্ঘটনার ভয়ঙ্কর পরিণতিতে পুলিশের চোখ কপালে। মৃত পাঁচজনের বয়স ২৫ বছরের আশেপাশে ছিল।
