টানা দু'দিন খালি হাতেই ফিরলেন বিজয়, সরকার গঠনে কী শর্ত দিলেন রাজ্যপাল?

 Tamilaga Vettri Kazhagam
টানা দু'দিন খালি হাতেই ফিরলেন বিজয়, কী শর্ত? ছবি: সংগৃহীত।

আজকাল ওয়েবডেস্ক: থালাপথি বিজয়। নেতা থেকে অভিনেতা হয়েছেন শুধু নয়, মন জিতেছেন গোটা রাজ্যের। যেন ম্যাজিক দেখিয়েছেন তিনি, যেমনটা দেখান ছবির পর্দায়। তবে থালাপতি মন জিতলেও, সংখ্যাগরিষ্ঠতা জিততে পারেননি। বিপদ সেখানেই। সর্বভারতীয় সংবাদ মাধ্যম সূত্রে খবর, তামিলনাড়ুর রাজ্যপাল আর. ভি. আরলেকার সাফ জানিয়েছেন, পরবর্তী সরকার গঠনের আগে অভিনেতা বিজয়কে অবশ্যই ১১৮ জন বিধায়কের সমর্থনের একটি চিঠি জমা দিতে হবে।

বৃহস্পতিবার সকালে বিজয়কে রাজ্যপালের বাসভবনে ডেকে পাঠানো হয় এবং তাঁকে একাধিক প্রশ্ন করা হয়, সূত্রের খবর তেমনটাই। এর মধ্যে ছিল, তিনি কীভাবে মাত্র ১১৩ জন বিধায়ক (অর্থাৎ তাঁর ১০৮ জন এবং কংগ্রেসের পাঁচজন) নিয়ে সরকার চালাবেন এবং অন্য কোন দল তাঁকে এই পরিস্থিতিতেও সহায়তা করতে পারে, প্রশ্ন করা হয়েছে তা নিয়েও। তাঁকে ভবিষ্যৎ জোটসঙ্গী সম্পর্কেও জিজ্ঞাসা করা হয়; টিভিকে ইঙ্গিত দিয়েছে যে তারা দুটি বাম দল এবং দুটি আঞ্চলিক দলের কাছ থেকে ছ'টি আসন পাবে বলে আশা করছে। সূত্রের খবর, বিজয় জানিয়েছেন তিনি, তিনি আস্থা ভোটের মুখোমুখি হতে প্রস্তুত। 

 

এই প্রসঙ্গে উল্লেখ্য, নির্বাচনী প্রচারের শুরু থেকেই বিজয় প্রথাগত 'দ্রাবিড়ীয় রাজনীতি'র বাইরে গিয়ে এক নতুন বিকল্পের স্বপ্ন দেখিয়েছিলেন। যুবসমাজ এবং মহিলাদের মধ্যে তাঁর ব্যাপক জনপ্রিয়তা এই জয়ের পেছনে বড় ভূমিকা পালন করেছে বলে মনে করা হচ্ছে। বর্তমান ডিএমকে (DMK) সরকারের শাসনের অবসান ঘটিয়ে তামিলনাড়ুর মসনদে এখন এক নতুন নেতার অভিষেক হতে চলেছে, যা দক্ষিণ ভারতের রাজনীতিতে এক বড়সড় ওলটপালট।

 

রাজ্যপাল বিজয়কে অভিনন্দন জানিয়েছেন এবং পরবর্তী আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়ার জন্য তাঁকে প্রস্তুত থাকতে বলেছেন। খুব শীঘ্রই চেন্নাইয়ে এক জাঁকজমকপূর্ণ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে বিজয় মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিতে পারেন বলে দলীয় সূত্রে খবর। পর্দার অ্যাকশন হিরো থেকে বাস্তবের জননেতা হয়ে ওঠার এই যাত্রায় বিজয়কে ঘিরে এখন তামিলনাড়ু জুড়ে উৎসবের মেজাজ।