কথায় বলে বাংলা বিনোদর দুনিয়ার অভিনেতা-অভিনেতারা কিন্নর-কিন্নরী। তাঁর দেবী সরস্বতীর সাক্ষাৎ বরপুত্র-কন্যা। তাই তাঁদের বাড়িতে এদিন সাড়ম্বরে বাগদেবী পূজিতা। ঋতুপর্ণা সেনগুপ্তের বাড়িতে প্রতি বছর নিষ্ঠার সঙ্গে দেবীর আরাধনা হয়। এবছরেও তার ব্যতিক্রম হয়নি। নায়িকার দেবী প্রতিমা সাবেকি। তিনি নিজের হাতে দেবীকে সাজান। তাঁর পরিবারের বাকি সদস্যরা পুজোর আয়োজন করেন। সারা সকাল উপোস থেকে সবাইকে নিয়ে নিষ্ঠাভরে অঞ্চলি দেন তিনি। বসন্ত ঋতুতে দেবীর আরাধনাকাল। তাই বাঙালি রেওয়াজ মেনে এদিন তিনি সেজে উঠেছিলেন হলুদ শাড়িতে। পুজো শেষে ঋতুপর্ণা নিজের হাতে সবাইকে ফলপ্রসাদ খাওয়ান। ছিল ভোগের আয়োজন।
ইন্দ্রাণী দত্ত বরাবর ইশ্বরে বিশ্বাসী। তাঁর বাড়িতে তাই সব রকমের পুজোর আয়োজন। দুর্গাপুজো, লক্ষ্মীপুজো হয়ে সরস্বতী পুজোতেও এলাহি আয়োজন। নায়িকার নাচের স্কুল রয়েছে। সেখানকার সমস্ত ছাত্রী এবং মেয়ে রাজনন্দিনী পালকে নিয়ে সকাল থেকে মেতে উঠেছিলেন পুজোর আয়োজনে। ইন্দ্রাণীর দেবীপ্রতিমার আকার বড়। আর্টের প্রতিমা ঘর আলো করেছে। তিনি নিজে সেজেছিলেন লাল পাড় সাদা শাড়িতে। রাজনন্দিনী সুন্দরী হাল্কা হলুদ শিফনে। ফুল দিয়ে সুন্দর করে সাজানো বেদি। পুজো শেষে ছিল পাত পেড়ে ভোগ খাওয়ানো। সেখানেও এলাহি আয়োজন করেছিলেন ইন্দ্রাণী।
ইন্দ্রাণী দত্ত বরাবর ইশ্বরে বিশ্বাসী। তাঁর বাড়িতে তাই সব রকমের পুজোর আয়োজন। দুর্গাপুজো, লক্ষ্মীপুজো হয়ে সরস্বতী পুজোতেও এলাহি আয়োজন। নায়িকার নাচের স্কুল রয়েছে। সেখানকার সমস্ত ছাত্রী এবং মেয়ে রাজনন্দিনী পালকে নিয়ে সকাল থেকে মেতে উঠেছিলেন পুজোর আয়োজনে। ইন্দ্রাণীর দেবীপ্রতিমার আকার বড়। আর্টের প্রতিমা ঘর আলো করেছে। তিনি নিজে সেজেছিলেন লাল পাড় সাদা শাড়িতে। রাজনন্দিনী সুন্দরী হাল্কা হলুদ শিফনে। ফুল দিয়ে সুন্দর করে সাজানো বেদি। পুজো শেষে ছিল পাত পেড়ে ভোগ খাওয়ানো। সেখানেও এলাহি আয়োজন করেছিলেন ইন্দ্রাণী।
















