গঙ্গাকে এখনও বাড়ির বউ হিসেবে মেনে নেয়নি অর্জুনের মা। কিন্তু গঙ্গা সব সময় চেষ্টা করে যাচ্ছে যাতে বাড়ির সবার মন জয় করা যায়। এদিকে, পুজোর বাসন ধুতে গিয়ে আরও এক বিপদ বাঁধিয়ে ফেলে গঙ্গা। ঠাকুরের সোনার কোসা ধুতে গিয়ে কুয়োর জলে ভুল বশত ফেলে দেয় সে। এই কাণ্ড দেখে রে রে করে তেড়ে আসে গঙ্গার শাশুড়ি। তাকে অর্জুনের বউদি বলে ওই সোনার কোসা যেন সে কুয়ো থেকে নিয়ে আসে। গঙ্গাও রাজি হয়। সে কুয়োতে ঝাঁপ দিয়ে কোসা উদ্ধার করে নিয়ে আসে।
গঙ্গার কাণ্ড দেখে অবাক হয়ে যায় অর্জুন। গঙ্গা জানায় সে তো ছোটবেলা থেকে নদীতে ডুব দিয়ে পয়সা কুড়িয়ে আনত, তাই এই কাজ তার কাছে সহজ। অর্জুন তাকে জানায়, এই ট্যালেন্ট যেন নষ্ট না করে গঙ্গা। এই ট্যালেন্টকে কাজে লাগিয়ে সে সাঁতারু হতে পারে। বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করতেও পারবে। অর্জুনের এই কথায় মনে জোর পায় গঙ্গা। তাহলে কি এবার জীবনে নতুন যাত্রা শুরু হবে তার? কী হতে চলেছে ধারাবাহিকের আগামী পর্বে?
কিছুদিন আগেই গল্পে দেখানো হয়েছিল অপমানিত হয়ে শ্বশুরবাড়ি ছেড়ে বেরিয়ে এসেছে গঙ্গা। অর্জুনও নিজের ভুল বুঝতে পেরেছে। কিন্তু গঙ্গা তার সঙ্গে বাড়ি ফিরতে নারাজ। এরপর গঙ্গার অভিমান ভাঙিয়ে তাকে বাড়িতে ফিরিয়ে নিয়ে যেতে এসেছে অর্জুন। গঙ্গাকে সে বলে, জেঠু, জেঠিমা, ভাইবোনরা তাকে কতটা ভালবাসে। যদি সে বাড়ি না ফেরে তাহলে তো জেঠুর অপমান। অর্জুন গঙ্গার রাগ কমানোর জন্য বলে, সে তো চ্যাটার্জি বাড়ির বউ, ভবিষ্যতে এরকম অপমানিত যাতে না হতে হয়, সেই দিকে নজর রাখবে অর্জুন। অর্জুনের কথায় অভিমান ভুলে শ্বশুরবাড়িতে ফিরেছিল গঙ্গা। একটু একটু করে গঙ্গা ও অর্জুনের সম্পর্ক যেন মজবুত হচ্ছে। তাই প্রতিদিন রাত নটায় এই ধারাবাহিকের পর্ব দেখতে ভোলেন না অনুরাগীরা।















