প্রয়াত পপ সম্রাট মাইকেল জ্যাকসনের বায়োপিক ‘মাইকেল’ মুক্তি পাওয়ার পর থেকেই বক্স অফিসে রীতিমতো ঝড় তুলেছে। সিনেমার পর্দায় মাইকেল জ্যাকসনের জীবনের বিভিন্ন দিক যেমন ফুটে উঠেছে, তেমনই দর্শকদের নজর কেড়েছে তাঁর সেই বিখ্যাত পোষ্য শিম্পাঞ্জি ‘বাবলস’। সিনেমার ওই দৃশ্যগুলো যে কেবল কল্পনা নয়, বরং বাস্তব জীবনের এক টুকরো প্রতিফলন—তা নিয়ে এখন চর্চা তুঙ্গে।
অ্যান্টনি ফুকোয়া পরিচালিত ‘মাইকেল’ সিনেমায় একটি দৃশ্য রয়েছে যেখানে মাইকেল জ্যাকসন বাড়িতে একটি শিম্পাঞ্জি নিয়ে আসেন। ‘বাবলস’ নামের সেই শিম্পাঞ্জিটি আসা মাত্রই জ্যাকসন পরিবারে হইচই পড়ে যায়। অবাক হওয়ার বিষয় হল, সিনেমাটি শুধু এই দৃশ্যটিই দেখায়নি, বরং মাইকেলের জীবনের সেই বাস্তব অংশটিকেই তুলে ধরেছে।
১৯৮৩ সালে মাইকেল জ্যাকসন বাবলসকে দত্তক নেন। এরপর থেকে মাইকেলের জীবনের অনেকটা জুড়ে ছিল এই শিম্পাঞ্জি। সাক্ষাৎকার, মিউজিক ভিডিও, মুভি—এমনকী মাইকেলের জাপান ট্যুরেও বাবলস তাঁর সঙ্গী ছিল। বর্তমানে বাবলসের বয়স ৪৩ বছর। সে এখন আমেরিকার ‘সেন্টার ফর গ্রেট এপস’ নামক একটি অভয়ারণ্যে তার অন্য বন্ধুদের সঙ্গে সময় কাটাচ্ছে।
অভয়ারণ্যের তথ্য অনুযায়ী, বাবলস এখন ১৮৫ পাউন্ড ওজনের এক পূর্ণবয়স্ক পুরুষ শিম্পাঞ্জি। সে শান্ত স্বভাবের এবং নাকি বেশ সৃজনশীল—সে ছবি আঁকতে ভালবাসে। তবে সে এখন ফটোগ্রাফি বা ক্যামেরা পছন্দ করে না। মাইকেল জ্যাকসনের এস্টেট বা সম্পত্তি থেকেই তার দেখাশোনার খরচ বহন করা হয়।

অন্যদিকে, ‘মাইকেল’ বায়োপিকটি সমালোচকদের কাছ থেকে মিশ্র প্রতিক্রিয়া পেলেও, বক্স অফিসে দারুণ সাফল্যের পথে রয়েছে। লায়ন্সগেট স্টুডিওর তথ্যমতে, আমেরিকা ও কানাডাতেই ছবিটি অন্তত ৬৫ মিলিয়ন ডলার আয়ের পথে রয়েছে। আন্তর্জাতিক বাজার ধরলে এই অঙ্ক দ্বিগুণ ছাড়িয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা।















