ইয়ে দোস্তি...

বলিউড ও টেলিভিশন ইন্ডাস্ট্রির অন্যতম দুই জনপ্রিয় অভিনেতা রোহিত বোস রায়  এবং আর মাধবনের বন্ধুত্বের বয়স এবার ছুঁয়ে ফেলল সাড়ে তিন দশকের। এই সুদীর্ঘ ও গভীর বন্ধুত্বের কথা স্মরণ করে সামাজিক মাধ্যমে একটি অত্যন্ত আবেগঘন পোস্ট শেয়ার করলেন রোহিত। কাজের জগতে প্রতিযোগিতা আর ইঁদুরদৌড়ের মাঝেও কীভাবে বিগত ৩৫ বছর ধরে একে অপরের পাশে পাহাড়ের মতো দাঁড়িয়ে থেকেছেন তাঁরা, সেই অজানা কথাই এদিন অনুরাগীদের সাথে ভাগ করে নিলেন অভিনেতা। গত রবিবার (১৭ মে) নিজের অফিশিয়াল ইনস্টাগ্রাম হ্যান্ডেলের স্টোরি সেকশনে আর মাধবনের সাথে কাটানো মুহূর্তের স্মৃতি রোমন্থন করেন রোহিত। ‘থ্রি ইডিয়টস’ খ্যাত এই ‘ধুরন্ধর’ অভিনেতাকে নিজের জীবনের অন্যতম সবচেয়ে বড় ‘সাপোর্টিভ’ বা ভরসার বন্ধু বলে আখ্যা দিয়েছেন তিনি।
অনেকেই হয়তো জানেন না, রোহিত রায় এবং আর মাধবনের এই বন্ধুত্বের পেছনে রয়েছে এক পুরনো পারিবারিক ও পেশাদার যোগসূত্র। ১৯৯৮ সালের টেলিভিশনের অত্যন্ত জনপ্রিয় ধারাবাহিক ‘সায়া’তে মাধ্যমে অভিনয়ে ডেবিউ করেছিলেন রোহিত রায়ের স্ত্রী মানসী জোশি রায়। সেই বিখ্যাত ধারাবাহিকের মূল কাস্ট বা মুখ্য চরিত্রে মানসীর সাথে স্ক্রিন শেয়ার করেছিলেন আর মাধবন নিজে। সেই সুবাদেই তাঁদের পারিবারিক বন্ধুত্ব আরও মজবুত হয়।

 

তড়তড়িয়ে এগোচ্ছে আয়ুষ্মানের ছবি 

বক্স অফিসে যেকোনও সিনেমার ভাগ্য নির্ধারণের জন্য একটা ভাল উইকেন্ড বা সাপ্তাহিক ছুটির দিনই যথেষ্ট। ঠিক তেমনই এক চেনা ছন্দে ঘুরে দাঁড়াতে চলেছে আয়ুষ্মান খুরানা -র নতুন ছবি ‘পতি পত্নী অউর ওহ ২’। গত ১৫ মে প্রেক্ষাগৃহে মুক্তির পর প্রথম দু-দিন ব্যবসা কিছুটা ঢিমে থাকলেও, রবিবার আসতেই ছবিটির কালেকশনে দেখা গেল বড়সড় লাফ। মূলত ফ্যামিলি অডিয়েন্স বা পারিবারিক দর্শক এবং ছুটির দিনে সিনেমা হলে যাওয়া দর্শকদের ভিড়েই প্রেক্ষাগৃহে থিতু হতে শুরু করেছে এই কমেডি ড্রামা।

২০১৯ সালের সুপারহিট ছবি ‘পতি পত্নী অউর ওহ’-র সিক্যুয়েল হিসেবে তৈরি এই ছবিটিতে আয়ুষ্মানের পাশাপাশি মুখ্য চরিত্রে অভিনয় করেছেন সারা আলি খান, ওয়ামিকা গাব্বি এবং রকুল প্রীত সিং।  ছবির ওপেনিং কালেকশন আশানুরূপ না হলেও, শনিবার বিকেল থেকে ছবিটির হল বুকিংয়ে গতি আসে, যা রবিবারে গিয়ে এক বিশাল রূপ নেয়। মাল্টিপ্লেক্সের পাশাপাশি সিঙ্গেল স্ক্রিনগুলোতেও ফ্যামিলি অডিয়েন্সের পা ফেলার জায়গা ছিল না। দর্শকদের রিভিউ ইতিবাচক হওয়ায় ‘মাউথ পাবলিসিটি’ বা মুখে মুখে ছড়ানো প্রশংসার জোরেই ছবিটির কালেকশন গ্রাফ ঊর্ধ্বমুখী।

 

 

 

ধ্বংসের পথে! 

ভারতের চলচ্চিত্র ইতিহাসের দুই কিংবদন্তি মহাতারকা— রাজ কাপুর ও দিলীপ কুমার । পাকিস্তানের খাইবার পাখতুনখোয়া প্রদেশের রাজধানী পেশোয়ারে অবস্থিত এই দুই তারকার ঐতিহাসিক পৈতৃক বাড়ি দুটি যেকোনও মুহূর্তে ভেঙে পড়তে পারে বলে তীব্র আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দা এবং ঐতিহ্য সংরক্ষণ বিশেষজ্ঞরা। সম্প্রতি হওয়া ভারী বর্ষণ এবং গত ৩ এপ্রিলের শক্তিশালী ভূমিকম্পের জোড়া ধাক্কায় ইতিমধ্যেই জরাজীর্ণ এই হেরিটেজ ভবন দুটির কাঠামো চূড়ান্তভাবে দুর্বল হয়ে পড়েছে।উল্লেখ্য, ২০১৬ সালে পাকিস্তান সরকার এই দুই ঐতিহাসিক বাড়িকে ‘জাতীয় ঐতিহ্য’ হিসেবে ঘোষণা করেছিল। কিন্তু দীর্ঘদিনের চরম অবহেলা এবং রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে আজ তা ধ্বংসের মুখে এসে দাঁড়িয়েছে।

পেশোয়ারের ঐতিহাসিক কিসসা খোয়ানি বাজারের ‘ধাকি নলবন্দি’ এলাকায় অবস্থিত শতাব্দীপ্রাচীন ‘কাপুর হাভেলি’। একসময় যা পেশোয়ারের স্থাপত্যের অন্যতম সেরা নিদর্শন হিসেবে গণ্য হতো। তবে খাবে, বিগত কয়েক মাসের লাগাতার বৃষ্টি এবং গত ৩ এপ্রিলের ভূমিকম্পের কম্পনের দরুণ এই প্রাচীন বাড়ির দেওয়ালে ও ভিত-এ গভীর ফাটল দেখা দিয়েছে।