আসছে ‘এক দিন’

নতুন এক রোম্যান্টিক ড্রামা ‘এক দিন’ যেখানে প্রথমবার একসঙ্গে পর্দায় আসছেন সাই পল্লবী ও জুনায়েদ খান। ছবির আনুষ্ঠানিক ঘোষণা হতেই দর্শকমহলে কৌতূহল তুঙ্গে। ১৫ জানুয়ারি ছবির প্রথম পোস্টার প্রকাশের পাশাপাশি নির্মাতারা নিশ্চিত করেছেন টিজার মুক্তি এবং প্রেক্ষাগৃহে মুক্তির দিনক্ষণও।

এই ছবির হাত ধরেই প্রথমবার একসঙ্গে কাজ করতে চলেছেন সাই পল্লবী ও জুনায়েদ খান। ‘প্রেমাম’-এর মতো ছবিতে অভিনয়ের জন্য যিনি পরিচিত, সেই সাই পল্লবীর বিপরীতে জুনায়েদ খান, যিনি ধীরে ধীরে নিজের জায়গা তৈরি করছেন সিনেমার জগতে। তাঁদের এই নতুন জুটি ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গেই আলোচনা শুরু রোম্যান্টিক গল্পে এই দুই ভিন্ন স্বাদের অভিনয় কীভাবে একে অপরকে পরিপূরক করে তুলবে, তা দেখতেই মুখিয়ে দর্শক। নির্মাতাদের ঘোষণা অনুযায়ী, ‘এক দিন’ মুক্তি পাবে আগামী  ১ মে। 

 

 

 

 

 


করণ-এ ভরসা স্ত্রীর 

গানের জন্য নয়, এই মুহূর্তে বিতর্কের কারণেই শিরোনামে ‘তৌবা তৌবা’ গান খ্যাত পাঞ্জাবি গায়ক করণ অউজলা। কানাডার এক শিল্পীর অভিযোগের দরুণ গত দু’দিন ধরে সোশ্যাল মিডিয়ায় তীব্র চর্চায় রয়েছেন তিনি। সেই বিতর্কের মাঝেই প্রকাশ্যে এল করণের স্ত্রী পলক অউজলার এক রোম্যান্টিক পোস্ট, যা অনেকের কাছেই স্বামীর পাশে দাঁড়ানোর স্পষ্ট বার্তা বলে মনে করা হচ্ছে।

‘তৌবা তৌবা’, ‘সফটলি’-র মতো জনপ্রিয় গানের জন্য পরিচিত করণ অউজলার বিরুদ্ধে অভিযোগ এনেছেন এক শিল্পী, যিনি ইনস্টাগ্রামে মিস গোরি নামে পরিচিত। তাঁর দাবি, করণ তাঁদের সম্পর্কের সময়ে নিজের বিয়ে গোপন রেখেছিলেন এবং একইসঙ্গে স্ত্রীর প্রতি বিশ্বস্ত ছিলেন না। এই অভিযোগ প্রকাশ্যে আসতেই সোশ্যাল মিডিয়ায় ঝড় ওঠে, শুরু হয় নানা জল্পনা। তবে এই বিতর্ক নিয়ে এখনও পর্যন্ত প্রকাশ্যে কোনও মন্তব্য করেননি করণ অউজলা। নীরব থেকেছেন গায়ক নিজে। কিন্তু তাঁর স্ত্রী পলক অউজলার একটি ইনস্টাগ্রাম স্টোরিই যেন পরিস্থিতির অন্য এক বার্তা দিল।

পলক ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে করণের সঙ্গে একটি ঘনিষ্ঠ, হাসিমুখের ছবি শেয়ার করেছেন। সেই ছবিটি তিনি সেভ করেছেন একটি হাইলাইটে, যেখানে ক্যাপশনে রয়েছে -কুইন, দুটি হার্ট ও ইভিল আই ইমোজি। কোনও লিখিত বক্তব্য না থাকলেও, অনেকের মতে এই পোস্টই যথেষ্ট ইঙ্গিতবাহী। সমালোচনা আর অভিযোগের মাঝেও স্বামীর পাশেই আছেন পলক।


বিবাহবার্ষিকীতে চমক প্রতীক-প্রিয়ার? 

অভিনেতা প্রতীক স্মিতা পাটিল ও তাঁর অভিনেত্রী স্ত্রী প্রিয়া বন্দ্যোপাধ্যায়ের সাম্প্রতিক একটি নীরব ইঙ্গিতই এখন সোশ্যাল মিডিয়ায় কৌতূহলের ঢেউ তুলেছে। হঠাৎ করেই উঠে এসেছে একটি শব্দবন্ধ, “দ্য এইটথ ভচন”। কোনও আনুষ্ঠানিক ঘোষণা না থাকলেও, এই ‘অষ্টম প্রতিজ্ঞা’ নিয়েই শুরু হয়েছে জল্পনা। দম্পতির ঘনিষ্ঠ মহলের ধারণা, ‘এইটথ ভচন’ আদতে কোনও প্রথাগত আচার নয়। বরং তা হতে পারে এমন এক প্রতিজ্ঞা, যা শুধুই বিয়ের রীতির মধ্যে সীমাবদ্ধ না থেকে সম্পর্কের বিকাশ, মানসিক আরোগ্য এবং একে অন্যকে নতুন করে বেছে নেওয়ার ভাবনার সঙ্গে যুক্ত।

ঘনিষ্ঠ সূত্রের বক্তব্য,“এখনও কিছুই নিশ্চিত নয়। তবে ওরা দু’জনেই এমন কিছু করতে চাইছে, যা সত্যিই অর্থপূর্ণ। এমন একটি মুহূর্ত, যেখানে আবার নতুন করে একে অপরকে বেছে নেওয়ার অনুভূতি থাকবে। ‘এইটথ ভচন’ হয়তো তাদের কাছে প্রতিজ্ঞা নবীকরণেরই এক ব্যক্তিগত ভাষা।”

যদিও এখনও পর্যন্ত প্রতীক কিংবা প্রিয়ার তরফে কোনও আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসেনি, তবু এই সূক্ষ্ম ইঙ্গিতই ইতিমধ্যেই অনুরাগীদের মধ্যে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠেছে। প্রতীক ও প্রিয়া বরাবরই তাঁদের ব্যক্তিগত মুহূর্তগুলো আড়ম্বরহীন, সংযত অথচ গভীর অর্থবহ করে রাখতে ভালবাসেন। তাঁদের বিয়ের আয়োজনও ছিল ঠিক তেমনই সরল, আন্তরিক এবং আবেগে ভরপুর। কোনও প্রদর্শনী নয়, বরং অনুভূতির উপরেই ছিল জোর।