টাকা জমানোর 'সাবেকি' অভ্যাস আর আধুনিক যুগের বিনিয়োগ- দুইয়ের টানাপোড়েনে এখন অনেকেই বিভ্রান্ত। এখন মধ্যবিত্তের একটাই চিন্তা, লকারে সোনা রাখা কি সত্যিই নিরাপদ, নাকি ডিজিটাল গোল্ডে ভরসা রাখা বুদ্ধিমানের কাজ?
2
8
ব্যাংকের লকারে সোনা রাখা মানেই যে তা সম্পূর্ণ নিরাপদ, এমন ভাবার দিন শেষ। চুরি বা ডাকাতি হলে ব্যাংক সবসময় দায় স্বীকার করে না। তার ওপর প্রতি বছর লকারের ভাড়া গুনতে হয়। ফলে অলঙ্কার আগলে রাখার চেয়ে তা রক্ষা করার দুশ্চিন্তাই এখন বেশি।
3
8
কাগজে-কলমে বা সশরীরে সোনা না কিনে মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমে সোনা কেনাই হলো ডিজিটাল গোল্ড। মাত্র ১ টাকা দিয়েও বিনিয়োগ শুরু করা সম্ভব। আপনার হয়ে সোনা জমা থাকবে একটি নিরাপদ ভল্টে, তাই চুরির ভয় নেই।
4
8
সোনার দোকানে না গিয়ে যদি শেয়ার বাজারের মাধ্যমে সোনা কিনতে চান, তবে গোল্ড ইটিএফ সেরা পথ। এটি অনেকটা শেয়ারের মতোই কেনাবেচা করা যায়। এতে কোনো মেকিং চার্জ নেই, আবার বিশুদ্ধতা নিয়েও কোনো খটকা থাকে না।
5
8
বিপদে-আপদে সোনা অতুলনীয়। কিন্তু লকারের সোনা বিক্রি করতে গেলে দোকানে দৌড়াতে হয়, সোনার খাদ যাচাই করতে হয়। ডিজিটাল গোল্ড বা ইটিএফ-এর ক্ষেত্রে সেসব বালাই নেই। মোবাইলের এক ক্লিকেই সোনা বিক্রি করে মুহূর্তের মধ্যে টাকা নিজের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে নিয়ে আসা যায়।
6
8
যদি বিয়ের প্রয়োজনে বা পরার জন্য সোনা কিনতে হয়, তবে সাবেকি গয়নাই কিনুন। কিন্তু লাভের আশায় সোনা কিনলে গয়না কেনা বোকামি। কারণ গয়না কেনার সময় মেকিং চার্জ হিসেবে অনেকটা টাকা নষ্ট হয়, যা বিক্রির সময় ফিরে পাওয়া যায় না।
7
8
পুরনো আমলের সোনায় খাদ নিয়ে প্রশ্ন উঠতে পারে। কিন্তু ডিজিটাল বা ইটিএফ মাধ্যমে বিনিয়োগ করলে আপনি পাচ্ছেন ২৪ ক্যারেট বা ৯৯.৯ শতাংশ খাঁটি সোনার নিশ্চয়তা। এখানে ওজনে কম হওয়া বা ঠকে যাওয়ার কোনও সুযোগ নেই।
8
8
মধ্যবিত্তের জন্য অল্প অল্প করে জমানোর শ্রেষ্ঠ উপায় হলো ডিজিটাল গোল্ড। আর আপনার যদি ডিম্যাট অ্যাকাউন্ট থাকে এবং বড় অঙ্কের টাকা দীর্ঘ মেয়াদে খাটাতে চান, তবে গোল্ড ইটিএফ-ই হলো বিনিয়োগের সবচেয়ে আধুনিক ও লাভজনক রাস্তা।