আরব সাগরে লক্ষ ঢেউ। কোনও ঢেউ ভাঙে, কোন ঢেউ গড়ে... জানতে পারেন কেউ? মায়ানগরীর আনাচেকানাচে গুনগুন ফিসফাস। খবরের কানাকানিতে থমকে বাতাস। সারা দিনের খবরাখবর শেষবেলায় আজকাল ডট ইনের পাতায়...।

 

ঘরে ফিরলেন সোনাল চৌহান 

ইরান ও ইজরায়েলের মধ্যে বাড়তে থাকা চরম উত্তেজনার মাঝে দুবাইতে আটকা পড়েছিলেন বলিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী সোনাল চৌহান। বেশ কয়েকদিন চরম অনিশ্চয়তার মধ্যে কাটানোর পর অবশেষে নিরাপদে ভারতে ফিরে এসেছেন তিনি। দেশে ফিরেই এক আবেগঘন বার্তার মাধ্যমে নিজের সেই রুদ্ধশ্বাস অভিজ্ঞতার কথা ভক্তদের জানিয়েছেন ‘জান্নাত’ খ্যাত এই অভিনেত্রী। গত কয়েকদিন ধরে চলা সংঘাতের কারণে মধ্য এশিয়ার আকাশপথ কার্যত অচল হয়ে পড়েছিল। একের পর এক বিমান বাতিল হওয়ায় সোনাল দুবাই বিমান বন্দরে আটকা পড়েন। সেখান থেকে বেরোনোর কোনও উপায় না দেখে তিনি অত্যন্ত উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছিলেন। পরিস্থিতির গুরুত্ব বুঝে সোনাল সরাসরি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর কাছেও সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে সাহায্যের আবেদন জানিয়েছিলেন। তিনি লিখেছিলেন, দেশে ফেরার কোনও সঠিক দিশা না পেয়ে তিনি দুশ্চিন্তায় রয়েছেন এবং ভারত সরকার যেন তাঁকে উদ্ধার করে এগিয়ে আসে।

 

জাভেদকে নিয়ে সতর্ক করেছিলেন শাবানার মা

জাভেদ আখতার ও শাবানা আজমির সম্পর্ক নিয়ে আজও চর্চা চলে। তাঁদের সম্পর্কের শুরুর দিকে একবার গাড়ি করে যাওয়ার সময় রাস্তার ধারে একটি ফুলের দোকান দেখে তিনি মন্তব্য করেছিলেন, "ফুলগুলো কী দারুণ দেখতে!" ব্যাস, এটুকুই যথেষ্ট ছিল। জাভেদ সঙ্গে সঙ্গে গাড়ি থামিয়ে সেই দোকানের সমস্ত ফুল কিনে নিয়েছিলেন এবং শাবানাকে উপহার দিয়েছিলেন। এই অভাবনীয় কাণ্ড দেখে শাবানা পুরোপুরি তাঁর প্রেমে পড়ে গিয়েছিলেন। যদিও জাভেদ আখতার মজার ছলে বলেন যে, সিনেমাটিক রোম্যান্সে তিনি বিশ্বাসী নন এবং এই ঘটনাটি নেহাতই আবেগের বশে ঘটেছিল। তবে এই প্রেমের পথ সবসময় মসৃণ ছিল না। শাবানা জানান, তাঁর মা সতর্ক করে বলেছিলেন, "কবিদের পাল্লায় পড়ো না, ওরা শুধু শব্দ দিয়ে মানুষকে বিভ্রান্ত করে।" এমনকী একবার তাঁদের ঝগড়ার পর জাভেদ একটি কবিতা লিখে পাঠিয়েছিলেন, যা দেখে তাঁর মা আবারও সতর্ক করেছিলেন যাতে তিনি এই 'শব্দের জালে' পা না দেন।

ট্রোলের কড়া জবাব নোরার

বিশ্বজুড়ে অস্থিরতা আর ইরান-ইজরায়েল সংঘাতের আবহে মুখ খুলে ট্রোলের মুখে পড়েছেন বলিউড অভিনেত্রী নোরা ফতেহি। সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি আবেগঘন ভিডিও শেয়ার করে বিশ্বশান্তির ডাক দিয়েছিলেন তিনি। কিন্তু সেই বার্তাকে কেন্দ্র করেই শুরু হয় তীব্র সমালোচনা। এবার সেই ট্রোলের কড়া জবাব দিলেন অভিনেত্রী। ইনস্টাগ্রামে জানান, বর্তমানে তিনি ভারতে নিরাপদ থাকলেও মধ্য এশিয়ার পরিস্থিতি তাঁকে গভীরভাবে বিচলিত করেছে। তবে নোরার এই শান্তির আবেদন অনেকের কাছেই 'সিলেক্টিভ' বা পক্ষপাতদুষ্ট মনে হয়েছে।নেটিজেনদের একাংশ তাঁকে প্রশ্ন করেন, এর আগে যখন অন্য কোনও দেশে সঙ্কট চলছিল, তখন তিনি কেন চুপ ছিলেন? অনেকে তাকে 'সুবিধাবাদী' বলেও কটাক্ষ করেন। ট্রোলের মুখে দমে না গিয়ে নোরা সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, শান্তি কামনা করা কোনও অপরাধ নয়। যারা তার এই বার্তায় ক্ষুব্ধ হয়েছেন, তাঁদের উদ্দেশে তিনি বলেন, যদি তাঁর শান্তির কথা কাউকে বিরক্ত করে, তবে তাঁদের নিজেদের মানসিকতা পরীক্ষা করা উচিত।