আজকাল ওয়েবডেস্ক: টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ থেকে হতশ্রী ভাবে বিদায়। তার পরই পদত্যাগ করলেন  প্রাক্তন এলিট আম্পায়ার আলীম দার। পিসিবি আধিকারিকদের কাছে তিনি তাঁর পদত্যাগ পত্র পাঠিয়েছেন। 

আলীম দার  জাতীয় নির্বাচন কমিটির গুরুত্বপূর্ণ সদস্য ছিলেন। সেমিফাইনালে উঠতে পাকিস্তান ব্যর্থ হওয়ায় আলীম দার সেই পদ থেকেও সরে দাঁড়ান।  তাঁর এই পদত্যাগে কেঁপে গিয়েছে পাকিস্তান ক্রিকেট। 

জাতীয় নির্বাচন কমিটি থেকে আলীম দার সরে যাওয়ায় এখন রয়েছেন কেবল দুই সদস্য-আকিব জাভেদ ও আসাদ শাফিক। 

আলীম দারের পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নিজেরই নেওয়া। অনেকে মনে করেন নির্বাচক প্যানেলের উপর ক্রমবর্ধমান চাপের কারণেই তিনি ইস্তফা দেওয়ার কথা ঘোষণা করেন। বিশ্বকাপ জুড়ে ব্যাটিং এবং বোলিং উভয় বিভাগেই দলের ধারাবাহিকতার অভাব ব্যাপক সমালোচনার জন্ম দিয়েছে, যার ফলে কমিটির বাকি সদস্যদের তদন্তের মুখোমুখি হতে হয়েছে।

আলীম দারের সংক্ষিপ্ত মেয়াদ বিতর্কিত ছিল। দল গঠন এবং খেলোয়াড় নির্বাচন নিয়ে বিতর্ক ছিল, অনেকের মতে এই বিষয়গুলি টুর্নামেন্টের সময় দলের রসায়নের উপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছিল। তাঁর পদত্যাগের ফলে পাকিস্তানের আসন্ন আন্তর্জাতিক ম্য়াচের আগে নতুন করে নির্বাচন কমিটি তৈরি করতে হবে। 

এদিকে, টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে হতশ্রী পারফরম্যান্স করে ছিটকে গিয়েছে পাকিস্তান। তার পরই সংবাদমাধ্যমে লেখা হয়েছে, পিসিবি প্রতিটি ক্রিকেটারকে পাকিস্তানি মুদ্রায় পঞ্চাশ লক্ষ টাকা জরিমানা ধার্য করেছে। 

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ভারতের কাছে হারের পরে পিসিবি-র এই জরিমানা বলে জানানো হয়েছে। এবারের মেগা টুর্নামেন্টে গ্রুপ পর্ব ও সুপার এইট মিলিয়ে মোট ৬টি ম্যাচ খেলেছে পাকিস্তান। 

পিসিবি-কর্তারা ক্রিকেটারদের স্পষ্ট করে জানিয়ে দিয়েছেন, এবার থেকে কেবল পারফরম্যান্সের ভিত্তিতেই আর্থিক সুবিধা পাওয়া যাবে। 

সূত্রের খবর, প্রত্যেক ক্রিকেটারকে ৫০ লক্ষ পাকিস্তানি রুপি জরিমানা করা হয়েছে। পিসিবি-র তরফে জানানো হয়েছে, ক্রিকেটাররা যদি ভাল পারফরম্যান্সের জন্য পুরস্কৃত হন, তাহলে খারাপ পারফরম্যান্সের জন্যও তাঁদের জরিমানা দিতে হবে।