কিছুদিন আগেই সৌরভ মারা যাওয়ায় বিয়ের দিনই কপাল পোড়ে পল্লবীর। অ্যাক্সিডেন্টে সৌরভ ও তার মা মারা গেলেও বেঁচে যায় ছোট্ট মেয়ে মিঠি। মিঠির মা আগেই মারা গিয়েছিল। তাই পল্লবীকেই মায়ের চোখে দেখে সে। বাবা-মা হারা মেয়েটাকে ছেড়ে যেতে পারেনি পল্লবী। সে মিঠিকে নিজের কাছেই রাখতে চায়। কিন্তু বাচ্চা চুরির অভিযোগে পল্লবীর বাবা-মা শ্রীনিবাস ও কমলাকে পুলিশ গ্রেফতার করে। এই অভিযোগ মিঠির পিসি ও পিসেমশাই করেছিল। তারা জোর করে পল্লবীর কাছ থেকে মিঠিকে নিয়ে যায়। এরপরেই ধারাবাহিকে আসবে বিরাট মোড়।
ইতিমধ্যেই প্রকাশ্যে এসেছে ধারাবাহিকের নতুন প্রোমো। সেখানে দেখা যাচ্ছে, অ্যাক্সিডেন্টের ফলে মিঠির একটা পায়ে ভয়ঙ্কর ক্ষতি হয়েছে। সে আর ঠিক হবে না বলেই জানিয়েছে চিকিৎসকরা। এদিকে, বাড়িতে তেমন যত্ন পায় না মিঠি। প্রোমো দেখা যাচ্ছে বাড়িতে একটা অনুষ্ঠান চলছে। আর অসুস্থ মিঠিকে কেউ খেতে দিচ্ছে না। খিদের জ্বালায় সে ছোট্ট মেয়েটা ডাস্টবিন থেকে খাবার কুড়িয়ে খেতে যায়।
তখন তার পিসেমশাই এসে বাধা দেয়। তাকে ভয় দেখিয়ে বলে এরকম কেন করছে? কী প্রমাণ করতে চাইছে মিঠি? তাকে বকাঝকা করতে থাকে পিসেমশাই। মিঠি ভয়ে পিছতে থাকে, আর তারপরে পুলের জলে পড়ে যায় সে। আর তখনই পল্লবী ঝাঁপ দেয় জলে, বাঁচায় মিঠিকে। আসলে ছদ্মবেশে ওই বাড়ির অনুষ্ঠানে এসেছিল পল্লবী, যাতে মিঠিকে এক ঝলক দেখতে পায়। আর তখনই ঘটে এই অঘটন। পল্লবী মিঠিকে উদ্ধার করে, তার বাড়ির লোককে দোষারোপ করতে থাকে।
প্রসঙ্গত, কিছুদিন আগেই গল্পে দেখানো হয়েছিল কমলা ও শ্রীনিবাস আইনি জটিলতায় জড়িয়ে পড়েছে। সৌরভের বাড়ির লোক মানে বোন ও ভগ্নিপতি দাবি করে যে বাচ্চাটিকে পল্লবী ও তার বাড়ির লোক জোর করে আটকে রেখেছে। পুলিশের কাছেও এই অভিযোগ দায়ের করে তারা। এদিকে, পল্লবীর পাশে থাকতে কমলা ও শ্রীনিবাস পুলিশের সঙ্গে বচসায় জড়ায়। এরপর প্রভাব খাটিয়ে তাদের গরাদের ভিতর ঢুকিয়ে দেয় সৌরভের বোন ও ভগ্নিপতি। মহিলা পুলিশ দিয়ে পল্লবীকেও আটকে দেয় তারা। আর বাচ্চাটিকে তার কাছ থেকে কেড়ে নেয়। এবার কি মিঠির এই অবস্থা দেখে তাকে আবার নিজের কাছেই রাখবে পল্লবী? নাকি মিঠির এইটুকু জীবনেই ঘনিয়ে আসবে আরও বিপদ?
















