গত সপ্তাহে মুক্তির পর থেকেই ভারতের পাশাপাশি পাকিস্তানেও আলোচনার কেন্দ্রে রণবীর সিং অভিনীত স্পাই থ্রিলার ‘ধুরন্ধর: দ্য রিভেঞ্জ’। আদিত্য ধরের এই ছবি একের পর এক বক্স অফিস রেকর্ড গুঁড়িয়ে দিচ্ছে। কিন্তু এই সাফল্যের মাঝেই এক চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে আনলেন অভিনেতা আদিত্য উপ্পল। ছবিতে সঞ্জয় দত্তের ডান হাত অর্থাৎ এএসপি ওমর হায়দরের চরিত্রে অভিনয় করে তিনি যেমন প্রশংসা পাচ্ছেন, তেমনই পাকিস্তান থেকে পাচ্ছেন প্রাণনাশের হুমকি!
আদিত্য উপ্পল জানিয়েছেন, পাকিস্তানে কর্মরত আসল পুলিশ অফিসার ওমর হায়দার (যিনি বর্তমানে করাচির এসপি) স্বয়ং অভিনেতার কাজ লক্ষ্য করেছেন। সম্প্রতি দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে আদিত্য জানান, দুবাইয়ের এক প্রভাবশালী পাকিস্তানি ব্যবসায়ীর মাধ্যমে তিনি জানতে পারেন যে আসল ওমর হায়দার তাঁর ইনস্টাগ্রাম প্রোফাইল ঘুরে দেখেছেন। এমনকী উইকিপিডিয়াতে ওমর হায়দারের পেজে ‘পপুলার কালচার’ সেকশনেও আদিত্য উপ্পলের নাম যুক্ত হয়েছে।
বিদেশের মাটিতে থাকা পাকিস্তানি দর্শকদের থেকে ভালবাসা ও প্রচুর প্রশংসা পেলেও, সরাসরি পাকিস্তান থেকে ভয়ঙ্কর সব বার্তা আসছে আদিত্যর কাছে। অভিনেতা জানান, “অনেকে আমায় মেসেজ করে হুমকি দিচ্ছে। এমনকি সামনে পেলে শারীরিক ক্ষতি করার ভয়ও দেখানো হচ্ছে।” যদিও এই সমস্ত হুমকির মুখে অভিনেতা শান্তভাবে তাঁদের বোঝাচ্ছেন যে, তিনি কেবল একজন অভিনেতা এবং নিজের চরিত্রটি ফুটিয়ে তোলার চেষ্টা করেছেন।
এদিকে ‘ধুরন্ধর ২’ বিশ্বজুড়ে ৯৫০ কোটি টাকার ব্যবসা করে ফেলেছে। খুব শীঘ্রই এটি ১০০০ কোটি টাকার ক্লাবে ঢুকতে চলেছে। ভারতে এই ছবির নেট কালেকশন ইতিমধ্যেই ৫৮০ কোটি টাকা ছাড়িয়ে গিয়েছে। উল্লেখ্য, ‘বাহুবলী’ এবং ‘পুষ্পা’-র পর তৃতীয় ভারতীয় ফ্র্যাঞ্চাইজি হিসেবে ‘ধুরন্ধর’ ২,০০০ কোটি টাকার মাইলফলক স্পর্শ করল।
১০০০ কোটির ক্লাবে ঢুকতে এই ছবির আর মাত্র কয়েক কদম বাকি। তবে পর্দার টানটান উত্তেজনার চেয়েও এখন বাস্তবে আদিত্য উপ্পলের নিরাপত্তা নিয়ে বেশি চিন্তিত অনুরাগীরা।
অন্যদিকে, ছবির একটি দৃশ্যে পবিত্র গুরবাণী পাঠ করার সময় অভিনেতা আর মাধবনকে ধূমপান করতে দেখা গিয়েছে—এই অভিযোগে উত্তাল হয়ে ওঠে নেটপাড়া। শিখ সম্প্রদায়ের পক্ষ থেকে তীব্র প্রতিবাদের মুখে পড়ে অবশেষে মঙ্গলবার একটি ভিডিও বার্তার মাধ্যমে নিজের অবস্থান পরিষ্কার করলেন অভিনেতা। স্পষ্ট জানালেন, কাউকে আঘাত করা তাঁদের উদ্দেশ্য ছিল না।তিনি জানান, দৃশ্যটি শুট করার সময় পরিচালক আদিত্য ধর অত্যন্ত সতর্ক ছিলেন। মাধবনের দাবি, "সংলাপ বলার আগেই আমি সিগারেটটি নিভিয়ে দিয়েছিলাম। আপনারা ভাল করে লক্ষ্য করলে দেখবেন, কথা বলার সময় আমার মুখ দিয়ে কোনো ধোঁয়া বেরোচ্ছে না। এমনকি সেই ফ্রেমে কোনও সিগারেটও নেই।"
&t=2069s
