আজকাল ওয়েবডেস্ক: ভোটের দিন ঘোষণার পর থেকেই একগুচ্ছ নির্দেশিকা জারি করে চলেছে নির্বাচন কমিশন। এছাড়া একাধিক আইপিএস অফিসার ও সচিবদের বদলি করা হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে শুক্রবার ফের একগুচ্ছ নির্দেশিকা জারি করল নির্বাচন কমিশন।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বিজ্ঞাপন দেওয়ার ক্ষেত্রে আগে সংশ্লিষ্ট কমিটির কাছ থেকে অনুমোদন নিতে হবে। অনুমোদন ছাড়া সোশ্যাল মিডিয়ার কোনও মাধ্যমে বিজ্ঞাপন দিলে তা নিয়মভঙ্গ হিসাবে ধরা হবে। নেওয়া হবে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, প্রার্থীদের নির্বাচনী হলফনামায় জানাতে হবে ক’টি সোশ্যাল মিডিয়ায় কার ক’টি অ্যাকাউন্ট রয়েছে।
এদিকে, রাজনৈতিক বিজ্ঞাপনের ক্ষেত্রে কোনও দল বা প্রার্থী বা সংগঠনকে মিডিয়া সার্টিফিকেশন অ্যান্ড মনিটরিং কমিটির (এমসিএমসি) অনুমোদন নিতে হবে। সোশ্যাল মিডিয়ায় বিজ্ঞাপনের ক্ষেত্রেও এই নিয়ম প্রযোজ্য। এছাড়া রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের (সিইও) নেতৃত্বে একটি আপিল কমিটি তৈরি করা হয়েছে। বিজ্ঞাপন সংক্রান্ত এমসিএমসি–র সিদ্ধান্তে কারও আপত্তি থাকলে ওই কমিটিতে পাল্টা আবেদন করা যাবে।
ভোটের মুখে সংবাদমাধ্যমে টাকা দিয়ে কোনও খবর প্রকাশ করা হচ্ছে কি না, এমসিএমসি তার উপর কড়া নজর রাখবে বলে জানিয়েছে কমিশন। প্রার্থীদের নিজস্ব সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্টের বিবরণ মনোনয়পত্রেই হলফনামার মাধ্যমে জানিয়ে দিতে হবে। এমনকী ভোট শেষ হওয়ার ৭৫ দিনের মধ্যে প্রচারের খরচের বিবরণ কমিশনকে জানাতে হবে বিভিন্ন দলকে। ভুয়ো প্রচার বন্ধ করতেও এবার তৎপর কমিশন।
প্রসঙ্গত, আগামী ২৩ ও ২৯ এপ্রিল দুই দফায় বিধানসভা ভোট হবে বাংলায়। নির্বাচন স্বচ্ছ ও শান্তিপূর্ণ করতেই এই নির্দেশিকা জারি করল কমিশন।
