আজকাল ওয়েবডেস্ক: ৩০বি, হরিশ চ্যাটার্জি স্ট্রিট। তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা ব্যানার্জির পৈতৃক বাড়ি এখানেই। যেখানে থেকেই মমতার রাজনৈতিক জীবনের শুরু। মুখ্যমন্ত্রী হলেও, এই বাড়ি ছেড়ে যাননি। এমনকী বাড়িতেও বিশেষ বদল হয়নি। তবে ছিল আঁটসাঁট নিরাপত্তা। সেই নিরাপত্তার বলয় এবার সরল।
৪ মে ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণা হয়েছে। ৫ মে সকালে হরিশ চ্যাটার্জি স্ট্রিটে মমতা ব্যানার্জির বাড়ির সামনে থেকে সরে গেল গার্ডরেল। বলা ভাল, নিরাপত্তা বলয়ও ঢিলে হল। গার্ডরেল উঠে যাওয়ায়, ওই রাস্তায় এখন অবাধ যাতায়াত। ওই রাস্তায় সাধারণ মানুষের যাতায়াতে আর কোনও বাধা নেই আজ থেকে। যদিও মমতার বাড়ির গলির মুখে পুলিশি নিরাপত্তা বজায় রয়েছে।
২০১১ সালে বাংলার মুখ্যমন্ত্রীর কুর্সি মমতা ব্যানার্জি দখল করলেও, হরিশ চ্যাটার্জি স্ট্রিটে কোনও গার্ডরেল ছিল না। ২০১৬ সালের পর সেই এলাকায় নিরাপত্তা আরও বাড়ানো হয়। তৃণমূল সুপ্রিমোর বাড়ির সামনেই গার্ডরেল বসানো হয়। ওই এলাকায় অবাধ যাতায়াতেও নিষেধাজ্ঞা ছিল। এলাকার বাসিন্দারা পুলিশের কাছে কারণ জানিয়ে গার্ডরেল পেরোনোর অনুমতি পেতেন। বাইরের কেউ ঢুকতে চাইলে, পুলিশকে সুস্পষ্ট কারণ জানিয়ে ঢুকতে পারতেন।
ভবানীপুরের 'ঘরের মেয়ে' মমতা। ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনে এই কেন্দ্রে বিজেপি প্রার্থী শুভেন্দু অধিকারীর কাছে ১৫ হাজার ১০৫ ভোটে হেরে গিয়েছেন মমতা ব্যানার্জি। যদিও মঙ্গলবার বিকেলে কালীঘাটে সাংবাদিক বৈঠকে মমতা সাফ জানিয়েছেন, তিনি মুখ্যমন্ত্রীর পদ থেকে ইস্তফা দেবেন না।
প্রত্যাবর্তন নয়, পরিবর্তন এল বাংলায়। মঙ্গলবারেও উদযাপন এখনও জারি। জেলায় জেলায় গেরুয়া আবির খেলা যেমন চলছে, খাস কালীঘাটেও তার অন্যথা হল না। কালীঘাটেও তুমুল উদযাপনে মেতে উঠেছেন গেরুয়া শিবিরের কর্মী, সমর্থকরা।
দুই শতাধিক আসনে জয়ী হওয়ার পর এবার কালীঘাটে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক ব্যানার্জির অফিসের পাশেই বিজেপির স্থায়ী অফিস গড়ে উঠল। সেখানেই রীতিমতো উৎসবের আমেজ। গান বাজিয়ে চলছে নাচানাচি। পাশাপাশি স্লোগানেও মেতে উঠেছে এলাকা।
কালীঘাটে অভিষেকের অফিসের পাশে বিজেপির অফিসের পাশে গেরুয়া আবির খেলা চলছে। জয়ের উৎসবের উদযাপন চোখে পড়ার মতো। উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে বিজেপির কর্মীদের মধ্যে বাড়তি উদ্দীপনা ছিল চোখে পড়ার মতো।
















