আজকাল ওয়েবডেস্ক: উত্তর থেকে দক্ষিণবঙ্গ, বাংলায় গেরুয়া ঝড়ে ঝরে পড়ল ঘাসফুল। কাকদ্বীপ থেকে কালিম্পং, গেরুয়া শিবির ইতিমধ্যেই উদযাপনে মেতে উঠেছে। কোথাও বাইক মিছিল, কোথাও বা গেরুয়া আবির খেলা, কোথাও আবার বিজেপির অফিসের সামনেই মিষ্টিমুখ। জেলায় জেলায় বিজেপি কর্মী-সমর্থকদের তুমুল উচ্ছ্বাস চোখে পড়ার মতো।
খাস কালীঘাটে তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা ব্যানার্জির বাড়ির সামনে 'জয় শ্রী রাম' স্লোগান দিচ্ছেন বিজেপি সমর্থকরা। এমনকী তাঁর বাড়ির সামনে দিয়েই বিজেপি সমর্থকদের বাইক মিছিল যায়। যদিও এখনও পর্যন্ত ১১ রাউন্ড শেষে ভবানীপুরে ৯,৪৭৫ ভোটে এগিয়ে আছেন মমতা ব্যানার্জি।
এই পর্যন্ত ভবানীপুর কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী মমতা ব্যানার্জির ঝুলিতে রয়েছে ৪২,৭৯৬ এবং শুভেন্দুর ঝুলিতে রয়েছে ৩৩,৩২১ ভোট।
উদযাপনে মেতে উঠেছেন কাকদ্বীপের বিজেপি কর্মীরাও। কান্দিতে তৃণমূল প্রার্থী অপূর্ব সরকার, বিজেপি প্রার্থী গার্গী দাস ঘোষের কাছে পরাজিত। অপূর্ব সরকার কান্দির বিদায়ী বিধায়ক এবং তৃণমূলের বহরমপুর মুর্শিদাবাদ সাংগঠনিক জেলা সভপতি। মুরলিধর সেন লেনে বিজেপি দপ্তরের বাইরেও তুমুল উদযাপনে মেতে উঠেছেন গেরুয়া শিবিরের কর্মীরা।
সর্বশেষ পাওয়া খবর অনুযায়ী, ভোটগণনার দিনেও উত্তেজনা ছড়াল শাখাওয়াত মেমোরিয়াল স্কুলের বাইরে। বিজেপি সমর্থকদের বিরুদ্ধে চেয়ার ভাঙচুরের অভিযোগ তুলেছে তৃণমূল। যা ঘিরে ফের অশান্ত পরিস্থিতি।
নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, সোমবার দুপুর ১২টা পর্যন্ত তৃণমূলের ভোট প্রাপ্তি ৪১.৬২ শতাংশ এবং বিজেপির ৪৫.০৩ শতাংশ। যদিও ইভিএমে গণনা এখনও কয়েক রাউন্ড বাকি রয়েছে।
আজ ভোটগণনার প্রথম লগ্নেই নন্দীগ্রাম ও ভবানীপুর কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী শুভেন্দু অধিকারীর মুখে হাসি ছিল। ভবানীপুরে পিছিয়ে থাকলেও, নন্দীগ্রামে এগিয়ে রয়েছেন তিনি। এরপরই মুখে চওড়া হাসি নিয়ে শুভেন্দু বললেন, "মেরা পুরানা আখড়া"।
শুভেন্দু আরও বললেন, "এটা তো সবে শুরু। আরও কয়েক ঘণ্টা যাওয়ার পর ট্রেন্ড বোঝা যাবে। আপাতত মাথা ঠান্ডা রাখুন। উত্তেজনা ছড়াবেন না।"
এরপরই ভবানীপুর কেন্দ্র নিয়ে শুভেন্দু আরও বলেন, "ভবানীপুরে আজ জোর টক্কর হবে, তবে জিতব আমি। প্রথম কয়েক রাউন্ড একটু এগিয়ে পিছিয়ে থাকবে। মুসলিম ইভিএমগুলোতে মমতা ব্যানার্জি জিতবেন।"
















