প্রোটিন মানেই শুধু ডিম, মাছ বা মাংস, এই ধারণা ধীরে ধীরে বদলাচ্ছে। প্রতিদিনের খাবারে থাকা অনেক সাধারণ সবজিতেই মিলছে ভাল পরিমাণ প্রোটিন। ফলে নিরামিষ খেয়েও শরীরের প্রোটিনের চাহিদা অনেকটাই পূরণ করা সম্ভব।
2
10
বিশেষজ্ঞদের মতে, সবজিকে শুধু ভিটামিন বা ফাইবারের উৎস হিসেবে দেখলে ভুল হবে। অনেক সবজিতেই এমন পুষ্টিগুণ রয়েছে, যা শরীরকে শক্তি জোগায় এবং পেশি গঠনে সাহায্য করে।
3
10
ব্রকলিঃ এই সবজিতে প্রোটিনের পাশাপাশি রয়েছে ভিটামিন সি, কে এবং ফাইবার। নিয়মিত খেলে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে।
4
10
মাশরুমঃ তালিকায় রয়েছে মাশরুমও। এটি সহজে রান্না করা যায় এবং এতে প্রোটিনের পাশাপাশি অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট থাকে, যা শরীরকে নানা রোগের হাত থেকে রক্ষা করতে সাহায্য করে।
5
10
ভুট্টাঃ অনেকেই ভুট্টাকে শুধু কার্বোহাইড্রেট ভাবেন, তাতেও রয়েছে মাঝারি পরিমাণ প্রোটিন।
6
10
পালং শাকঃ প্রতি ১০০ গ্রাম কাঁচা পালং শাকে প্রায় ২.৯ গ্রাম প্রোটিন থাকে। তরকারি হোক কিংবা স্যুপ অথবা স্যালাড, পালং শাক যেভাবেই খাবেন, সেভাবেই মিলবে প্রোটিনের জোগান।
7
10
মটরশুঁটি, আলু, অ্যাসপারাগাসের মতো সবজিতেও প্রোটিন পাওয়া যায়। বিশেষ করে মটরশুঁটি বা বীন জাতীয় সবজিতে প্রোটিনের পরিমাণ তুলনামূলক বেশি, যা নিরামিষভোজীদের জন্য খুবই উপকারী।
8
10
চিকিৎসকরা বলছেন, শরীর সুস্থ রাখতে এক ধরনের সবজি নয়, বরং বিভিন্ন ধরনের সবজি খাওয়া জরুরি। এতে শরীর প্রয়োজনীয় সব পুষ্টি পায়। প্রোটিনের সঙ্গে ভিটামিন, মিনারেল ও ফাইবারও মেলে।
9
10
দৈনন্দিন জীবনে ছোট কিছু অভ্যাস বদল করলেই এই উপকার পাওয়া সম্ভব। যেমন ভাত বা রুটির সঙ্গে একাধিক সবজি রাখা, স্যালাড বেশি করে সবজি যোগ করা, বা স্যুপে সবজি ব্যবহার করা-এই সহজ উপায়েই প্রোটিনের জোগান বাড়ানো যায়।
10
10
সবমিলিয়ে বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ, প্রোটিন পেতে শুধু আমিষ খাবারের ওপর নির্ভর না করে প্রতিদিনের ডায়েটে সবজির পরিমাণ বাড়ানো উচিত। এতে শরীর যেমন সুস্থ থাকবে, তেমনি দীর্ঘমেয়াদে নানা রোগের ঝুঁকিও কমবে।