আজকাল ওয়েবডেস্ক: এক একদিনে একাধিক জনসভা। আর সেখান থেকেই একদিকে যেমন দলীয় কর্মী-সমর্থক, সাধারন মানুষের উদ্দেশে বক্তব্য রাখছেন মমতা ব্যানার্জি অভিষেক ব্যানার্জি, তেমনই সুর চড়াচ্ছেন বিজেপির বিরুদ্ধে। তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক ব্যানার্জি এদিন বিজেপিকে তুলনা করলেন তালিবেনদের সঙ্গে।
এদিন সভামঞ্চ থেকে অভিষেক বলেন, 'গত পরশু দিন অমিত শাহ রানি রাসমণিকে বলেছে রানি রাসমতি। আপনি ভাবুন, আফগানিস্তানের তালিবান আর এই বিজেপি দলটার মধ্যে কোনও পার্থক্য নেই। আফগানিস্তানে তালিবান গৌতম বুদ্ধের মূর্তি ভাঙে। আর এই বিজেপির গুণ্ডারা বিদ্যাসাগরের মূর্তি ভাঙে। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে অসম্মান করে। আমাদের বাংলাদেশি বলে। কেন? আমরা বাংলায় কথা বলি। মাছ খাই।'
বিজেপির উপ মুখ্যমন্ত্রী বিহারে কী বলেছেন মাছ-মাংস ইস্যুতে! এদিন সভা থেকে তাও মনে করিয়ে দেন অভিষেক। কটাক্ষ করে বলেন, বিজেপি বাংলায় এই পরিবর্তন আনতে চায়।
এই প্রসঙ্গে উল্লেখ্য, ভোটমুখী বাংলায় রদবদল আর দলবদল, চলছে পাল্লা দিয়ে। ভোটের মুখে, এদিন অভিষেক ব্যানার্জির হাত ধরে ফুল বদল করেন হুগলির একগুচ্ছ নেতা। রবিবার সপ্তগ্রামের ডানলপ কোয়ার্টার গ্রাউন্ডের জনসভায়, অভিষেক ব্যানার্জির হাত থেকে তৃণমূল কংগ্রেসের পতাকা নেন গেরুয়া শিবিরের কয়েকজন নেতা। তাঁরা হলেন, বিশ্বজিৎ রায়, বাঁশবেড়িয়া মণ্ডল সাধারণ সম্পাদক, প্রভাত গুপ্ত হুগলি জেলা যুব মোর্চা সাধারণ সম্পাদক, রাজেশ যাদব, হুগলি জেলা যুব মোর্চা সহ-সভাপতি, সুমিত অধিকারী প্রাক্তন সভাপতি, বাঁশবেড়িয়া মণ্ডল এবং সপ্তগ্রাম আইটি ইন-চার্জ-সহ আরও কয়েকজন।
এদিন হুগলির সভা থেকে অভিষেক বলেন, 'আমার চ্যালেঞ্জ, যদি বিজেপি দেখাতে পারে, পাঁচ বছরে একটা গরীব মানুষের অ্যাকাউন্টে বাড়ির জন্য বিজেপি পাঁচ পয়সা দিয়েছে, আমি হুগলিতে কোনওদিন আপনাদের কাছে তৃণমূলের হয়ে ভোট চাইতে আসব না।' একই সঙ্গে তৃণমূল সরকারের একাধিক প্রকল্পের খতিয়ান দেন অভিষেক। পরিসংখ্যান তুলে ধরেন, ওই এলাকায় প্রতিমাসে কতজন মহিলা লক্ষ্মীর ভান্ডার পান।
এদিন সভামঞ্চ থেকে দলের প্রার্থীদের পাশে নিয়ে অভিষেক বলেন, 'যাঁরা বাংলাকে বঞ্চিত করেছেন, আমাদের লাইনে দাঁড় করিয়েছেন, আর আমাদের বাংলাদেশি বলে দাগিয়ে দিয়েছেন, চার তারিখে রবীন্দ্র সঙ্গীতের সঙ্গে হালকা করে একটু ডিজেও বাজবে।'















