আজকাল ওয়েবডেস্ক: ভোটের মুখে বাংলায় ব্রিটিশ শাসন কাল, বাঙালির উদ্দীপনা এবং ব্রিটিশদের পিছু হটার কথা মনে করালেন তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক ব্যানার্জি। রবিবার সোশ্যাল মিডিয়ায় অভিষেক একটি পোস্ট করেছেন। তাতে তিনি লিখেছেন, 'বাংলার মানুষের অদম্য উদ্দীপনা ও সংগ্রামী চেতনার কাছে টিকতে না পেরে এমনকি ব্রিটিশরাও ভারতের রাজধানী কলকাতা থেকে দিল্লিতে ফিরিয়ে আনতে বাধ্য হয়েছিল। আজ আমরা রেজিনাল্ড ডায়ার ও জর্জ কার্জনের আধুনিক অবতারদের দেখছি, যারা দিল্লিতে বসে রিমোট কন্ট্রোলের মাধ্যমে বাংলা শাসন করার চেষ্টা করছেন।'
তারপরেই মনে করিয়েছেন, বাঙালিরা মাথানত করে না। লিখেছেন, 'ঔপনিবেশিক নব্য-জমিদারগণ, আপনাদের হতাশ করার জন্য দুঃখিত। বাংলা তার নিজের মেয়ের হাতেই থাকবে। বাংলা কখনও দিল্লির জমিদারদের চাবুকের দ্বারা শাসিত হবে না। আপনারা হয়তো আমাদের অবমূল্যায়ন করেছেন, কিন্তু আমরা বাঙালিরা এক গর্বিত জাতি। আমরা নত হই না। আমরা কোনো অত্যাচারী শক্তির সামনে নতজানু হই না।'
পোস্টের একেবারে শেষে অভিষেক লিখেছেন, 'বাংলার উপর আপনাদের চাপানো প্রতিটি অপমান, প্রতিটি লাঞ্ছনা, প্রতিটি শোষণ এবং প্রতিটি নিপীড়নের জন্য, ৪ঠা মে আপনারা পাবেন এক বিশাল ৪৪০-ভোল্টের ঝটকা। প্রস্তুত থাকুন।'
এর আগে, শনিবার সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করে মোদি-শাহের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিয়েছিলেন তিনি। বাংলার জওয়ানের শহিদ হওয়ার খবর পেয়েই শনিবার তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক ব্যানার্জি এক্স হ্যান্ডেলে একটি বড়সড় পোস্টে লেখেন, "মালদহের বাসিন্দা বাঙালি বিএসএফ জওয়ান, মণিপুরের উখরুল জেলায় ১৭০ ব্যাটালিয়নে কর্মরত ছিলেন, গুলিবিদ্ধ হয়ে শহিদ হয়েছেন। পরিবারে রয়েছে স্ত্রী ও দুই সন্তান। যাঁরা বাংলায় 'পরিবর্তন' নিয়ে বক্তৃতা দেন, তাঁরা নিজেদের নজর এবার মণিপুরে দিন।"
অভিষেক আরও লিখেছেন, "প্রধানমন্ত্রী এবং কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর এত সময়, সারাক্ষণ বাংলায় প্রচারে ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন, অথচ মণিপুরে যাওয়ার সময় পান না। গত তিন বছর ধরে যে তাণ্ডব চলছে, তার সুরাহাও করেননি। কমপক্ষে ৩০০ জনের মৃত্যু হয়েছে। আহত ও নিখোঁজ হয়েছেন আরও ১০ হাজার।"
তৃণমূল সাংসদের আরও বক্তব্য, "বাংলায় 'পাল্টানো দরকার' স্লোগান দেওয়ার আগে, প্রধানমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী 'অষ্টলক্ষ্মী' রাজ্যের অসহায় মানুষের জন্য কিছু কাজ করুন।"















