আজকাল ওয়েবডেস্ক: রাজ্য রাজনীতির পালাবদলের পর বদলেছে অনেক কিছুই। নতুন সরকার ক্ষমতায় এসের একের পর এক উন্নয়নমূলক প্রকল্পের কথা ঘোষণা করেছেন। পাশাপাশি, প্রাক্তন শাসকদল তৃণমূলের অনেক নেতা-মন্ত্রীই এখন পুলিশের জালে। এতদিন ব্যান্ডেলে ব্যবসায়ী সমিতির অফিস দখল করেই চলছিল তৃণমূলের পার্টি অফিস। ভোটে ভরাডুবির পর সেই অফিস ফের ব্যবসায়ীদের হাতে ফেরাল তৃণমূল।
সূত্রের খবর, ব্যান্ডেল লিচু বাগান এলাকায় ব্যবসায়ী সমিতির অফিস ছিল। অসিত মজুমদার বিধায়ক হওয়ার পর সেই অফিস দখল নিয়ে তৃণমূল পার্টি অফিস তৈরি করা হয়েছিল। বুধবার সন্ধ্যায় অফিসের ভিতর এবং বাইরে থাকা দলীয় পতাকা খুলে দেওয়া হল পার্টির তরফে। মুছে দেওয়া হল দলের সমস্ত চিহ্ন। এর পর ব্যবসায়ী সমিতির অফিসটি দীর্ঘদিন পর তাদের হাতেই তুলে দিল প্রাক্তন বিধায়ক অসিত মজুমদার। ওই সময় উপস্থিত ছিলেন ব্যান্ডেল গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান-উপপ্রধানরা।
তৃণমূলের বিদায়ী বিধায়ক অসিত মজুমদারের স্বীকারোক্তি, ব্যবসায়ী সমিতির অফিস ওই ভাবে দখল করে রাখা উচিত হয়নি। তবে ব্যবসায়ীরাও কোনওদিন অফিস ফেরত চাননি। এখন এর প্রয়োজনীয়তা ফুরিয়েছে, তাই অফিসটি ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে।
অন্যদিকে, ব্যবসায়ী রঞ্জিত কুমার বিশ্বাস বলেন, "আমাদের ব্যবসায়ী সমিতির অফিস জোর করে সে সময় দখল করেছিল তৃণমূল। তৃণমূল পঞ্চায়েত প্রধানের স্বামী ছিলেন দিলীপ রাম। তিনি ভয় দেখিয়ে আমাদের কিছু করতে দেননি।"
চুঁচুড়ার বিজেপি বিধায়ক সুবীর নাগ বলেন, "তৃণমূলের বাতি জ্বালানোর কেউ থাকবে না, এটা বুঝতে পেরেছেন তৃণমূল নেতৃত্ব। তাই দখল করে রাখা অফিস ফেরত দিয়ে দিয়েছেন।"
উল্লেখ্য, রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় বিরোধী দলগুলির দখল হওয়া পার্টি অফিসগুলি তৃণমূল কংগ্রেসের হাত থেকে উদ্ধার বা দখলমুক্ত হওয়ার একাধিক ঘটনা সামনে এসেছে। হাড়োয়া, দত্তপুকুর, চুঁচুড়া, গাইঘাটা-সহ অন্যত্র দখলমুক্ত তৃণমূলের পার্টি অফিস।















