আজকাল ওয়েবডেস্ক: একদিনের জন্যও বিচ্ছেদ হয়নি। তবুও বিয়ে করা স্ত্রীকেই আবার বিয়ে করতে হচ্ছে উত্তরবঙ্গের তৃণমূলের প্রবীণ দাপুটে নেতা এবং প্রাক্তন বিধায়ক খগেশ্বর রায়কে। দীর্ঘ ৫২ বছর তাঁরা একসঙ্গে ঘর করছেন। প্রশ্ন উঠেছে, বিয়ের এত বছর পর দুই ছেলে ও দুই মেয়ের পিতা মাতাকে বিবাহ বন্ধনে নতুন করে আবার আবদ্ধ হতে হচ্ছে কেন?
জানা গিয়েছে, খগেশ্বর রায়ের সঙ্গে প্রতিমা রায়ের বিয়ে হয়েছিল সত্তরের দশকে। নতুন করে বিয়ের প্রসঙ্গে খগেশ্বর রায় জানিয়েছেন,নেহাতই দায়ে পড়ে ও প্রামাণ্য কাগজপত্রের জন্যই নিজের স্ত্রীকে বিয়ে করতে আবার সাত পাকে বাঁধা পড়ার অনুষ্ঠান করতে হচ্ছে। পেনশন সংক্রান্ত আইনি জটিলতা কাটাতেই নিজের স্ত্রীকে ফের বিয়ে করতে হচ্ছে বলে জানিয়েছেন রাজগঞ্জের এই প্রাক্তন বিধায়ক। তাঁর কথায়, বিধায়ক পদ থেকে অবসর নেওয়ার পর তাঁর প্রাপ্য পেনশন আটকে যাওয়ায় এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী, পেনশন চালু করতে হলে তাঁকে আইনত বিবাহিত হওয়ার শংসাপত্র জমা দিতে হবে। ফলে আইনি বাধ্যবাধকতার জেরেই আইনি মতে (রেজিস্ট্রি) পুনরায় বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হচ্ছেন প্রাক্তন বিধায়ক দম্পতি।
গোটা বিষয় নিয়ে অত্যন্ত খোশ মেজাজে খগেশ্বরবাবু জানান, তিনি তাঁর রাজনৈতিক জীবনে অনেক উত্থান-পতন দেখেছেন। নিজের অবসর জীবনে পুত্র ও কন্যা সন্তানকে নিয়ে আগামী দিনগুলি কাটানোর জন্য পেনশনের আবেদন করেন। আর তাতেই তাঁকে আইনিভাবে দ্বিতীয়বারের জন্য তাঁর নিজের স্ত্রীকেই বিয়ে করতে হল। ইতিমধ্যেই এই খবর সামাজিক মাধ্যমে বহুল চর্চিত হলেও প্রাক্তন এই বিধায়কের দাবি, সবার ভাগ্যে এমনটা জোটে না। নিজের স্ত্রীকেই একবার নয়, দুই দুইবার বিয়ে করতে হল। যথেষ্ট খুশি তিনি। যদিও এবারে কেবলমাত্র আইনি বিয়েই ছিল। কোনও রকম আত্মীয়-স্বজন ডেকে এনে ভুরিভোজের আয়োজন ছিল না। সব মিলিয়ে জলপাইগুড়ি জেলায় এই মুহূর্তে প্রাক্তন বিধায়কের বিয়ে নিয়েই সাধারণ মানুষের কাছে এখন চর্চিত।















