আজকাল ওয়েবডেস্ক: পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় দক্ষিণ দমদম পুরসভার প্রাক্তন চেয়ারম্যান পাঁচু রায়কে সোমবার ইডি জিজ্ঞাসাবদ করে। এই মামলায় গ্রাপ্তার করা হয়েছে প্রাক্তন মন্ত্রী সুজিত বসুকে। সোমবার সুজিত বসু ও পাঁচু রায়কে মুখোমুখি বসিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করেন কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা আধিকারিকরা। প্রায় ন'ঘন্টার এই জিজ্ঞাসাবে সামনে এসেছে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য, ইডি সূত্রে এমনই দাবি।
ইডি সূত্রে খবর, সাদা কাগজে সই করিয়ে চাকরি প্রসঙ্গে দু'জনকে (সুজিত বসু ও পাঁচু রায়) জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। জানা গিয়েছে, পুরসভায় নিয়োগের জন্য ২৯ জনের চাকরির সুপারিশ করা হয়েছিল। 'ডিরেক্টরেট অব লোকাল বডিজ' (ডিএসলবি)-এর তৎকালীন ডিরেক্টর জ্যোতিষ্মান চ্যাটার্জির কাছে এই সুপারিশ করা হয়েছিল। এরপর চূড়ান্ত তালিকা থেকে ২৪ জনের নাম বাদ দিয়ে দেওয়া হয়। সেই জায়গায় চেয়ারম্যানের সুপারিশের ২৯ জনের নাম ঢোকানো হয়েছিল।
এর আগে পুর নিয়োগ দুর্নীতির তদন্তে দক্ষিণ দমদম পুরসভার প্রাক্তন চেয়ারম্যান পাঁচু রায়ের বাড়িতে তল্লাশি চালিয়েছিল ইডি। সেই অভিযানে বেশ কিছু সুপারিশপত্র উদ্ধার হয়েছিল। সুজিত বসু দক্ষিণ
দক্ষিণ দমদম পুরসভার ভাইস চেয়ারম্যান ছিলেন। সেই সময়ে চেয়ারম্যান ছিলেন এই পাঁচু রায়। ওই সময়েই দক্ষিণ দমদম পুরসভার নিয়োগ দুর্নীতির অভিযোগ ওঠে বলে দাবি করেছে ইডি।
সুজিত বসু ছাড়াও নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় এর আগে আরেক প্রাক্তন মন্ত্রী রথীন ঘোষকেও জিজ্ঞাসাবাদ করেছিল ইডি। গ্রেপ্তার করা হয় সুজিত বসুকে। সূত্রের খবর, এই মামলায় ধৃত রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী সুজিত বসুকে জিজ্ঞাসাবাদ করার সময় বেশ কিছু নতুন তথ্য ইডির হাতে এসেছে। সেই তথ্য অনুযায়ী সুজিত বসুর মুখোমুখি বসিয়েও রথিন ঘোষকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হতে পারে।














