আজকাল ওয়েবডেস্ক: সৌমিত্র-সুজাতা। বাঁকুড়ার রাজনীতিতে নানা কথা ঘুরেছে তাঁদের নিয়ে বারে বারে। একসঙ্গে  দু'জনে এক দলের হয়ে গলা ফাটিয়েছেন, আবার দু'জনে দু'জনের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়েছেন। ২০২৪-এর ভোটে, সৌমিত্র খাঁ এবং সুজাতা মণ্ডল, দুজনে একই কেন্দ্রে দুই দলের প্রার্থী হয়েছিলেন। সৌমিত্র জেতেন। সুজাতা হারেন। তার পরেও সুজাতা বাঁকুড়ার রাজনীতিতে ছিলেন মাঠে-ময়দানে। এবার আর থাকবেন না। তৃণমূলের সঙ্গে সমস্ত সম্পর্ক শেষ করেছেন, জানালেন তেমনটাই।

তৃণমূলের হারের পর থেকে, একাধিক নেতা-নেত্রীরা দল বিরোধী মন্তব্য করেছেন। সুজাতাও কি দলের বিরুদ্ধে ক্ষোভ নিয়েই ছাড়ছেন? আজকাল ডট ইন-এ সুজাতা মণ্ডল বলেন, 'দল এবার ক্ষমতায় এলেও, আমি তৃণমূল ছাড়তাম।' কিন্তু কেন? ক্ষোভের কারণ কী? 

 

সুজাতা বলেন, 'আমি আজ তৃণমূলের সঙ্গে সমস্ত সম্পর্ক ছিন্ন করলাম। আমি বাঁকুড়া জেলা পরিষদের যে সরকারি পদে মনোনীত ছিলাম, সেখান থেকে পদত্যাগ করেছি। নিরাপত্তাও প্রত্যাহার  করেছি।  আমি আজ সমস্ত সরকারি পদ, দল থেকে পদত্যাগ করেছি। স্বেচ্ছায়।'

 

কিন্তু কারণ কী? সুজাতা বলছেন, 'দল যখন ক্ষমতায় ছিল, আমরা যাঁরা মাঠে-ঘাটে যাই, মানুষের কথা শুনি, আমরা বলার চেষ্টা করেছি দলকে। দল যে সংস্থাকে কাজে লাগিয়েছিল, তাদের নিয়েও বুঝতে পেরেছি। দল তখন কথা শোনেনি। তাই এখন দল ছাড়ার পর সমালোচনা করে লাভ নেই। কিন্তু অভয়ার ঘটনার সময়েও আমার বিবেক দংশন হয়েছিল। আমি কষ্ট পেয়েছিলাম, যখন শিক্ষকরা মার খাচ্ছিলেন। দেখুন আমিও একটা সময় প্রচণ্ড অত্যাচার সহ্য করেছি। আমি আগে পদত্যাগ করতে চেয়েও পারিনি, কারণ পুরনো একটা ঘটনাও আমার পরিবার ভোলেনি। উলটে তাঁরা ভয় পেয়েছে।'  একই আসনে সৌমিত্র-সুজাতাকে ভোট লড়ানোকে তিনি মুরগির লড়াই বলেও ক্ষোভ প্রকাশ করেন। 

 

তাহলে কি এবার বিজেপিতে? আবার? যদিও সুজাতা বলছেন, এখনই সে ধরনের কোনও পরিকল্পনা নেই।