আজকাল ওয়েবডেস্কঃ হাতে আর ২৪ ঘণ্টাও নেই। আগামীকাল, ১৪ মে ঘোষণা করা হবে উচ্চ মাধ্যমিকের ফলাফল। বিধাননগরে সংসদের অফিসে থেকেই ফল ঘোষণা করা হবে। মাধ্যমিকের ফল প্রকাশের কার্যত এক সপ্তাহের মাথাতেই ঘোষণা করা হবে উচ্চ মাধ্যমিকের ফল।
আগামীকাল সকাল সাড়ে ১০টা নাগাদ প্রকাশিত হবে উচ্চ মাধ্যমিকের ফল। সাংবাদিক সম্মেলনের মাধ্যমে ফল ঘোষণা করবেন সংসদ সভাপতি পার্থ কর্মকার। পরীক্ষার্থীরা সকাল ১১টা থেকে সংসদের বিভিন্ন ওয়েবসাইট থেকে তাদের ফল দেখতে পারবেন। ফল ঘোষণার পর বিভিন্ন সংসদের আঞ্চলিক কেন্দ্র থেকে স্কুলগুলির হাতে পরীক্ষার্থীদের মার্কশিট তুলে দেওয়া হবে। পরীক্ষার্থীদের এর পর স্কুল থেকেই মার্কশিট সংগ্রহ করতে হবে।
কী ভাবে ফল দেখবেন?
১। পরীক্ষার্থীদের প্রথমে সংসদের ওয়েবসাইট result.wb.gov.in-এ যেতে হবে।
২। সেখানে রেজাল্ট দেখার লিঙ্কে ক্লিক করতে হবে।
৩। লিঙ্কে ক্লিক করে নিজেদের রোল নম্বর এবং রেজিস্ট্রেশন নম্বর দিতে হবে।
৪। পরীক্ষার্থীরা এ বার ওয়েবসাইটে তাদের ফল দেখতে পারবে।
উল্লেখ্য, এ বছর থেকেই প্রথম বার সেমেস্টার পদ্ধতিতে উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা গ্রহণ করা হয় । দেশের মধ্যে এই প্রথম কোনও রাজ্যে সেমেস্টার পদ্ধতিতে দ্বাদশের পরীক্ষার আয়োজন করা হয়। যা গোটা দেশের কাছে দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে বলে মত সংসদের।
চলতি বছরে ভোটের কারণে মাধ্যমিকের মতো উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষাও এগিয়ে আনা হয়। পরীক্ষা শুরু হয় ১২ ফেব্রুয়ারি। শেষ হয় ২৭ ফেব্রুয়ারি। এ বার পরীক্ষা শেষের দু'মাস ১৬ দিনের মাথায় ফল ঘোষণা করবে সংসদ। মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ৭ লক্ষ ১০ হাজার ৮১১। এর মধ্যে চতুর্থ সেমেস্টারের পরীক্ষা দিয়েছিলেন ৬ লক্ষ ৩৫ হাজার ৮৬৪ জন। দ্বিতীয় সেমেস্টারের সাপ্লিমেন্টারি পরীক্ষা দিয়েছিলেন ৫৯ হাজার ৪৫২ জন। অন্য দিকে, পুরনো নিয়মে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ১৫ হাজার ৪৯৫। পরীক্ষা গ্রহণ করা হয় ২১০৩ টি পরীক্ষা কেন্দ্রে।
প্রসঙ্গত, এ বছর উচ্চ মাধ্যমিকে একইসঙ্গে তিন ধরনের পরীক্ষা নেওয়া হয়। চতুর্থ সেমেস্টারে চূড়ান্ত পরীক্ষার পাশাপাশি তৃতীয় সেমেস্টারের সাপ্লিমেন্টারি পরীক্ষাও নেওয়া হয়। একইসঙ্গে পুরনো ব্যবস্থায় বার্ষিক পদ্ধতির পরীক্ষাও গ্রহণ করা হয়। চতুর্থ সেমেস্টার পরীক্ষার সময়সীমা ছিল সকাল ১০ টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত। অন্য দিকে সাপ্লিমেন্টারি পরীক্ষা চলে দুপুর ১টা থেকে ২টো ১৫ মিনিট পর্যন্ত। এ ছাড়া, পুরনো পদ্ধতিতে পরীক্ষা হয় সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১.১৫ মিনিট পর্যন্ত। পুরনো পদ্ধতির পরীক্ষার্থীরা ছাড়া বাকিদের জন্য পরীক্ষা শুরুর আগে অতিরিক্ত ১০ মিনিট সময় দেওয়া হয় প্রশ্নপত্র পড়ার জন্য।















