আজকাল ওয়েবডেস্ক: এশিয়া কাপের দল নির্বাচন হবে মঙ্গলবার। কিন্তু প্রশ্ন টেস্ট দলের অধিনায়ক শুভমন গিল দলে থাকবেন?
যদিও সেই সম্ভাবনা কম। যদিও জানা গিয়েছে, এশিয়া কাপে টেস্ট অধিনায়কের জন্য ‘স্পেশাল কোটা’র রাখার ব্যাপারে আলোচনা করা হয়েছিল। যার জন্য বাদ পড়তেন এক তরুণ তুর্কি।
এক সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যম সূত্রে খবর, গিলকে দলে নেওয়ার ব্যাপারে টিম ম্যানেজমেন্টের অন্দরে নাকি আলোচনাও হয়েছিল। জানা গিয়েছে, সেই আলোচনার বিষয় ছিল, কোনওভাবে তিলক বর্মার জায়গায় গিলকে নেওয়া যায় কি না। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তিলক বর্মাকে বাদ দিয়ে গিলকে জায়গা দেওয়া হবে কি না, তা নিয়ে একটা আলোচনা হয়েছে। তবে, টিম ম্যানেজমেন্ট এটা নিয়ে খুব বেশি চিন্তা করেনি। তারা জানিয়েছে, এমনটা হলে বাঁ–হাতি ব্যাটারের প্রতি অন্যায় হবে। উল্লেখ্য, এই মুহূর্তে টি–টোয়েন্টির ক্রমতালিকায় তিলক রয়েছেন দ্বিতীয় স্থানে।
আরও পড়ুন: এশিয়া কাপে ভারত–পাক ম্যাচের মাঝে বিজ্ঞাপনের মূল্য জানেন! দর শুনলে চমকে যাবেন
ওই সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুসারে, তিলক বর্মাকে বাদ দিয়ে শুভমানকে বেছে নেওয়ার জন্য ভারতীয় টিম ম্যানেজমেন্টের কাছে পরামর্শ দেওয়া হয়েছিল। যদিও সেই প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করা হয়েছে বলে খবর। ওই সংবাদপত্র উদ্ধৃতি দিয়ে জানিয়েছে, ’গিলকে নেওয়া হলে টপ অর্ডারেই ব্যাটিং করবে। তবে যদি টপ অর্ডারে খেলার সুযোগ না পান, তাহলে তাঁকে দলে নেওয়ার কোনও অর্থ নেই। গিল যদি ওপেনিং নামে, সঞ্জুর প্রতি অবিচার হবে। এই উইকেটকিপার–ব্যাটার অতীতে অসাধারণ খেলেছেন। গিল দলে ঢুকলে তো জায়গা ছাড়তে হবে সঞ্জুকে।’
অন্যদিকে, দ্বিতীয় কিপার হিসাবে নির্বাচকদের পছন্দ জিতেশ শর্মা। তবে সঞ্জু খেললে জিতেশ সুযোগ পাবেন না। এছাড়াও জসপ্রীত বুমরা জানিয়ে দিয়েছেন, গোটা এশিয়া কাপে খেলতে চান। দল বাছাইয়ের সময় যেন তাঁর কথা মাথায় রাখা হয়। তবে বুমরাকে আদৌ দলে রাখা হবে কি না, প্রশ্ন রয়েছে। এছাড়াও অর্শদীপ সিং, প্রসিধ কৃষ্ণা এবং হর্ষিত রানাকে রাখা হতে পারে স্কোয়াডে। স্পিনার হিসাবে অক্ষর প্যাটেল, রবি বিষ্ণোই, কুলদীপ যাদব প্রায় নিশ্চিত এশিয়া কাপের দলে।
এশিয়া কাপ নিয়ে উত্তেজনার পারদ চড়ছে। ১৪ সেপ্টেম্বর এশিয়া কাপে ভারত–পাক মহারণ। সেই ম্যাচ নিয়ে পারদ চড়তে শুরু করেছে। উড়তে শুরু করেছে অর্থও। ভারত–পাক ম্যাচ চলাকালীন সম্প্রচারকারী চ্যানেলে বিজ্ঞাপনের জন্য আকাশচুম্বী হয়ে উঠছে বাজারদর।
ক্রিকেট দুনিয়ার অন্যতম শ্রেষ্ঠ যুদ্ধ ভারত–পাকিস্তান ম্যাচ। দুই দেশের কোটি–কোটি মানুষ তো বটেই, বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের মানুষ এই ম্যাচ দেখার জন্য মুখিয়ে থাকেন। স্বাভাবিকভাবেই, এই বিরাট সংখ্যক দর্শকের আগ্রহ ও উন্মাদনাকে কাজে লাগিয়ে নিজেদের বিজ্ঞাপন প্রচারে সব সংস্থাই আগ্রহী থাকে। কিন্তু এশিয়া কাপের ক্ষেত্রে তা যেন আগের সমস্ত রেকর্ড ভেঙে দিতে চলেছে। তার কারণ, সাম্প্রতিক সময়ে যেহেতু দুই দেশের মাটিতে ভারত–পাক লড়াই হয় না, ফলে স্টেডিয়ামে ম্যাচ দেখা থেকে বহু মানুষ বঞ্চিত হন। সেক্ষেত্রে টিভি বা বিভিন্ন অ্যাপই ভরসা।
