আজকাল ওয়েবডেস্ক: রাজকোটে অনুষ্ঠিত ভারত-নিউ জিল্যান্ড দ্বিতীয় ওয়ানডে ম্যাচটা নিশ্চয় ভুলে যেতে চাইবেন কুলদীপ যাদব। 

প্রতিপক্ষের ব্যাটিং মেরুদণ্ড ভাঙতে অধিনায়কের প্রথম পছন্দ কুলদীপ যাদব। কিন্তু সেই স্পিনার রাজকোটে প্রবল মার হজম করেন। ১০ ওভার হাত ঘুরিয়ে ৮২ রান দেন তিনি। দুটো ম্যাচে ১৯ ওভার হাত ঘুরিয়েছেন কুলদীপ। রান দিয়েছেন ১৩৪। উইকেট নিয়েছেন ২টি। 

এহেন হতশ্রী পারফরম্যান্সের পরেও কুলদীপের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন যুজবেন্দ্র চাহাল। একসময়ে কুলদীপ ও চাহালের জুটি নিয়ে কম চর্চা হয়নি। তাঁদের নাম দেওয়া হয়েছিল কুল-চা। সেই চাহাল এবার তাঁর বন্ধু সম্পর্কে বললেন, ''কুলদীপ যাদব বিশ্বের এক নম্বর স্পিনার। যে কোনও ফরম্যাটে চ্যাম্পিয়ন।'' 

ওয়ানডে ফরম্যাটে চাহাল ও কুলদীপ প্রতিপক্ষের রাতের ঘুম কেড়ে নিতেন। একসঙ্গে ৭০টি ম্যাচ খেলেছিলেন কুলদীপ ও চাহাল। ১৩০টি উইকেট নিয়েছিলেন। তার মধ্যে কুলদীপের উইকেট সংখ্যা ৭০ ও চাহালের ৬০। 

এদিকে সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচে ভারতের হারের পরে শুরু হয়ে গিয়েছে সমালোচনা। ভারতের তারকা অলরাউন্ডার নীতীশ কুমার রেড্ডির দিকে উড়ে আসছে সমালোচনার ঢেউ। এমনকী ভারতের হেডস্যর গৌতম গম্ভীরের সহকারী রায়ান টেন দুশখ্যাতে মনে করছেন দলগঠনে সমস্যা হয়েছিল। 

নীতীশ রেড্ডি দ্বিতীয় ওয়ানডে ম্যাচে ২ ওভার  বল করেন। ২১ বলে ২০ রান করেন। লোকেশ রাহুলের সঙ্গে তিনি পঞ্চাশ রান জোড়েন। রাহুল সেঞ্চুরি করায় শেষমেশ ভারত ২৮৪ রান করে।  তবুও জয় অধরাই থেকে যায়। 

নীতীশ রেড্ডি ব্যর্থ হওয়ায় তিনি প্রবল সমালোচিত হন। ধেয়ে আসা সমালোচনার মুখে নীতীশ রেড্ডির পাশে এসে দাঁড়ান দেশের প্রাক্তন ক্রিকেটার হনুমা বিহারী। 

চতুর্দিক থেকে ধেয়ে আসা সমালোচনার মুখে নীতীশের পাশে এসে দাঁড়ান হনুমা বিহারী। তিনি বলেছেন, ''কেউ আমাকে একথা বলতে পারেন, নীতীশের মতো অবস্থায় কেউ ব্যাটের পাশাপাশি সিম বোলিং করতে পারে এই দেশে? নীতীশের বয়স এখন ২২। ২২ বছরের এক ক্রিকেটারকে বিটস অ্যান্ড পিসেস বলা যায়? তিনটি ফরম্যাটে বল হাতে খুব একটা খারাপ কিছু করেনি। মেলবোর্নে ১০০ রান করেছিল। আমার-আপনার মতো অনেকেই স্বপ্ন দেখতে পারেন।'' 

রায়ান টেন দুশখ্যাতে মনে করেন, ভারতের দল বাছাই ঠিক হয়নি। দুশখ্যাতে মনে করেন, নীতীশ রেড্ডির পরিবর্তে আয়ূষ বাদোনিকে নিলে ভাল হত। 
খেলার শেষে প্রেস কনফারেন্সে  দুশখ্যাতে বলেন, ''ওয়াশিংটন সরে যাওয়ায় আয়ূষ বাদোনিকে শেষ মুহূর্তে দলে নেওয়া হয়েছে। আমাদের মনে হয়েছে এই উইকেটে নীতীশ রেড্ডিকে খেলালে ভাল হত। নিউ জিল্যান্ডের স্পিনাররা যেভাবে বল করেছে, তা দেখার পরে মনে হচ্ছে আমরা আরেক জন স্পিনারকে নিলে ভাল হত।''