আজকাল ওয়েবডেস্ক: অভয়ারণ্য থেকে সোজা লোকালয়ে। শীতের মিঠে রোদ পোহাতে পোহাতে পাঁচিলে ঘুমিয়ে কাটাল বাঘ। তাকে ঘিরে প্রায় কয়েকশো মানুষ। অথচ কারও দিকে তেড়ে যায়নি। নিশ্চিন্তে সেই পাঁচিলেই রাতভর ঘুমিয়ে কাটাল। এই ঘটনায় রীতিমতো চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে উত্তরপ্রদেশের পিলিভিট জেলার আটকোণা গ্রামে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সোমবার রাতে পিলভিট জেলার অভয়ারণ্য থেকে গ্রামের মধ্যে ঢুকে বাঘটি। প্রাথমিকভাবে সকলের ধারণা ছিল, সকালের মধ্যে আবার সেটি অভয়ারণ্যে ফিরে যাবে। কিন্তু ভোর হতেই দেখা যায়, সেটি লোকালয়ের মধ্যেই রয়েছে। গ্রামে ঢুকে যে পাঁচিলে বসে ছিল, সেখানেই টানা সুখনিদ্রা দিচ্ছে সে। ততক্ষণে বাঘের আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে গোটা গ্রামে। সকালে খবর দেওয়া হয় বন দপ্তরে।
প্রায় ১২ ঘণ্টা পর ঘুমপাড়ানি গুলি দিয়ে বাঘটিকে উদ্ধার করেন বন দপ্তরের কর্মীরা।
কীভাবে অভয়ারণ্য থেকে লোকালয়ে ঢুকে পড়ল, তা খতিয়ে দেখছে বন দপ্তর। স্থানীয়রা জানিয়েছেন, ২০১৫ সালের পর থেকে পিলভিটে ৫০টি বাঘের হামালর ঘটনা ঘটেছে। গত চার মাসে এমন ঘটনায় পাঁচ জন প্রাণ হারিয়েছেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সোমবার রাতে পিলভিট জেলার অভয়ারণ্য থেকে গ্রামের মধ্যে ঢুকে বাঘটি। প্রাথমিকভাবে সকলের ধারণা ছিল, সকালের মধ্যে আবার সেটি অভয়ারণ্যে ফিরে যাবে। কিন্তু ভোর হতেই দেখা যায়, সেটি লোকালয়ের মধ্যেই রয়েছে। গ্রামে ঢুকে যে পাঁচিলে বসে ছিল, সেখানেই টানা সুখনিদ্রা দিচ্ছে সে। ততক্ষণে বাঘের আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে গোটা গ্রামে। সকালে খবর দেওয়া হয় বন দপ্তরে।
প্রায় ১২ ঘণ্টা পর ঘুমপাড়ানি গুলি দিয়ে বাঘটিকে উদ্ধার করেন বন দপ্তরের কর্মীরা।
কীভাবে অভয়ারণ্য থেকে লোকালয়ে ঢুকে পড়ল, তা খতিয়ে দেখছে বন দপ্তর। স্থানীয়রা জানিয়েছেন, ২০১৫ সালের পর থেকে পিলভিটে ৫০টি বাঘের হামালর ঘটনা ঘটেছে। গত চার মাসে এমন ঘটনায় পাঁচ জন প্রাণ হারিয়েছেন।
















