সংবাদসংস্থা, মুম্বই: কথায় কথায় মন খারাপ? অস্বাভাবিক নয়, বলছেন থেরাপিস্টরা। তবে মন খারাপ মানেই তো গোটা দিনটা মাটি। উপায় কী? সমীক্ষার দাবি, কর্টিসল, স্ট্রেস হরমোন, নিউরোট্রান্সমিটার থেকে ডোপামিন, অক্সিটোসিন এবং এন্ডোরফিনের মতো হরমোনের নিঃসরণকে ব্যাহত করে। এতে উদ্বেগ বাড়ে, বিগড়ে যায় মেজাজ। কী করবেন?
আপনি যখন আনন্দে থাকেন শরীরে তখন একধরনের রাসায়নিক ক্রিয়া হয়। রাসায়নিকগুলি ইতিবাচকভাবে মেজাজ এবং মানসিক সুস্থতাকে প্রভাবিত করে। এটি স্ট্রেসের নেতিবাচক প্রভাবের বিরুদ্ধে সক্রিয় থাকে, কর্টিসলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে।
শরীরে যদি পর্যাপ্ত পরিমাণে ডোপামিন হরমোন নিঃসরণ হয় তবে মন খারাপ কাছে ঘেঁষবে না। তাই চেষ্টা করুন ভাললাগে এরকম কাজে নিজেকে ব্যস্ত রাখতে।
নিজেকে শান্ত রাখতে চেষ্টা করুন। এটা একধরনের প্র্যাকটিস। সকালে বাড়ির বারান্দায় বা বাগানে বসে ধ্যান করুন। এতে প্রাকৃতিক আলোর সংস্পর্শে থাকতে পারবেন। থেরাপিস্টের দাবি, প্রকৃতিতে সময় কাটালে সেরোটোনিন নিঃসরণ বাড়ে।
সামাজিক ক্রিয়াকলাপে অংশগ্রহণ করুন। বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডায় অংশ নিন। এতে অক্সিটোসিন হরমোন মুক্তি পায় শরীরে। শরীরচর্চা, খেলাধুলো ব্যায়াম করলে এন্ডোরফিন হরমোন নিঃসরণ হয়। পাশাপাশি পুষ্টিকর খাবার খান, তাহলেই মন হবে ফুরফুরে।
আপনি যখন আনন্দে থাকেন শরীরে তখন একধরনের রাসায়নিক ক্রিয়া হয়। রাসায়নিকগুলি ইতিবাচকভাবে মেজাজ এবং মানসিক সুস্থতাকে প্রভাবিত করে। এটি স্ট্রেসের নেতিবাচক প্রভাবের বিরুদ্ধে সক্রিয় থাকে, কর্টিসলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে।
শরীরে যদি পর্যাপ্ত পরিমাণে ডোপামিন হরমোন নিঃসরণ হয় তবে মন খারাপ কাছে ঘেঁষবে না। তাই চেষ্টা করুন ভাললাগে এরকম কাজে নিজেকে ব্যস্ত রাখতে।
নিজেকে শান্ত রাখতে চেষ্টা করুন। এটা একধরনের প্র্যাকটিস। সকালে বাড়ির বারান্দায় বা বাগানে বসে ধ্যান করুন। এতে প্রাকৃতিক আলোর সংস্পর্শে থাকতে পারবেন। থেরাপিস্টের দাবি, প্রকৃতিতে সময় কাটালে সেরোটোনিন নিঃসরণ বাড়ে।
সামাজিক ক্রিয়াকলাপে অংশগ্রহণ করুন। বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডায় অংশ নিন। এতে অক্সিটোসিন হরমোন মুক্তি পায় শরীরে। শরীরচর্চা, খেলাধুলো ব্যায়াম করলে এন্ডোরফিন হরমোন নিঃসরণ হয়। পাশাপাশি পুষ্টিকর খাবার খান, তাহলেই মন হবে ফুরফুরে।
















