সোনার দাম একটানা নিম্নমুখী। পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত ১৮ বছরে সোনার দাম এক মাসে এত কমেনি। ২০০৮ সালের অক্টোবর মাসে একধাক্কায় সোনার দাম হুড়মুড়িয়ে কমেছিল।
2
13
২০২৬ সালের মার্চ মাসে সোনার বাজারে সবচেয়ে বড় মাসিক দরপতন হয়েছে। একধাক্কায় ১৫ শতাংশ কমেছে সোনার দাম।
3
13
এর অন্যতম কারণ যুদ্ধের আবহে মার্কিন ডলারের শক্তিশালী অবস্থান। ওয়াকিবহাল মহলের দাবি, মার্কিন ডলারের শক্তিশালী অবস্থানের কারণেই সোনার দাম হু হু করে কমেছে।
4
13
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরান-ইজরায়েল-মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সংঘাত শুরু হয়েছে। যুদ্ধের আবহে এরপর থেকেই মার্কিন ডলারের মান ২ শতাংশের বেশি বেড়েছে।
5
13
বিশ্বজুড়ে এই অস্থিরতার আবহে বিনিয়োগকারীরা সোনায় তুলনায় মার্কিন ডলারেই বেশি প্রাধান্য দিচ্ছেন। সোনায় বিনিয়োগের ঝুঁকি এড়িয়ে যাচ্ছেন সকলে।
6
13
বিশ্ববাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম ব্যারেল প্রতি ১১৫ ডলার ছাড়িয়ে গেছে। মার্চ মাসে তেলের দাম প্রায় ৬০ শতাংশ বেড়েছে। এটিও একটি কারণ।
এখন মধ্যবিত্তের মনেই প্রশ্ন, সোনার দাম কি লাগাতার নিম্নমুখী থাকবে? পশ্চিম এশিয়ায় যুদ্ধ থেমে গেলেই কি সোনার দাম আবারও রেকর্ড হারে বাড়তে শুরু করবে?
9
13
গোল্ডম্যান স্যাকস, আমেরিকার এক শীর্ষস্থানীয় ব্যাঙ্কিং প্রতিষ্ঠান। তাদের পূর্বাভাস অনুযায়ী, ২০২৬ সালের শেষে এবং ২০২৭ সালের শুরুতে প্রতি আউন্স সোনার দাম পাঁচ হাজার ৪০০ ডলার ছুঁতে পারে।
10
13
আরেক আমেরিকান বহুজাতিক ব্যাঙ্ক জে পি মর্গ্যানের গ্লোবাল কমোডিটি স্ট্র্যাটেজি টিমের হেড নাতাশা ক্যানেভা জানিয়েছেন, ২০২৬ সালের শেষে প্রতি আউন্স সোনার দাম পৌঁছে যেতে পারে ৫ হাজার ডলারে।
11
13
কিন্তু কেন সোনার বাজারে এহেন পরিবর্তন হতে চলেছে? ওয়াকিবহাল মহলের ধারণা, কেন্দ্রীয় ব্যাঙ্কগুলোর সোনা কেনার প্রবণতা এখনও অব্যাহত রয়েছে। যা ফের দীর্ঘ মেয়াদে সোনার দাম বাড়াতে সাহায্য করবে।
12
13
৬ এপ্রিল সোমবার বিশ্ববাজারে সোনার দাম প্রতি আউন্সে চার হাজার ৬০০ মার্কিন ডলার আশেপাশে রয়েছে। মার্কিন বাজারের পরিস্থিতি এবং ভূ-রাজনৈতিক অস্থিরতাই এর মূল কারণ।
13
13
পশ্চিম এশিয়ায় যুদ্ধ থামলেই সোনার দাম বাড়তে শুরু করবে। ২০২৬ সালের শেষে ফের সর্বকালের রেকর্ড ছুঁতে পারে সোনার দাম।