সংবাদ সংস্থা মুম্বই: রাজ বব্বর, স্মিতা পাতিলের পুত্র তিনি। অভিনয় তাঁর রক্তে। ২০০৮ সালে প্রথম ছবি ‘জানে তু ইয়া জানে না’তেই নায়িকার ভাইয়ের ছোট্ট চরিত্রেই নজর কেড়েছিলেন প্রতীক বব্বর। সেই তিনি-ই আবার মাদকের নেশায় জর্জরিত হয়ে দিনের পর দিন কাটিয়েছেন রিহ্যাবে। নিজেই অকপটে একথা জানিয়েছিলেন প্রতীক। এবার জানালেন, বলিউডে এসে জনপ্রিয় হওয়ার পর মাদকে আসক্ত হননি তিনি। বরং তার অনেক আগে থেকেই হয়েছিলেন। একেবারে কিশোর বয়স থেকে!
প্রতীকের কথায়, " অনেকেই হয়ত ভাবেন যে বলিউডে এসে জনপ্রিয়তা পাওয়ার পর, হাতে একসঙ্গে অনেক টাকা আসার পরপরই বোধ হয়ে মাদকের নেশায় ডুব দিয়েছিলাম আমি। আদতে কিন্তু এমনটা মোটেই নয়। ১২-১৩ বছর বয়স থেকেই মাদক নেওয়া শুরু করেছিলাম! স্পষ্ট করে জানাতে চাই আমার মাদকাসক্ত হওয়ার সঙ্গে ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রির কোনও যোগ নেই। আসলে আমার ছোটবেলাটা খুব সহজভাবে কাটেনি। পরিবারের মধ্যে গোলমাল ছিল, প্রচুর জটিলতা ছিল। সেই সময় থেকেই মাদকের প্রতি আসক্তি জন্মায়। তবে বর্তমানে সেই আসক্তি কাটিয়ে বেরিয়ে এসেছি। বহু বছর ধরে লড়াই করেছি নিজের সঙ্গে। আমার বাগ্দত্তা প্রচণ্ড সাহায্য করেছে আমাকে। মাদক-পর্ব পিছনে ফেলে আজ অনেকটাই এগিয়ে এসেছি আমি।"
প্রসঙ্গত, বিভিন্ন ছবিতে গুরুত্বপূর্ণ পার্শ্ব চরিত্রে কাজ করেছেন প্রতীক। ‘দম মারো দম’, ‘আকর্ষণ’, ‘ধোবি ঘাট’, ‘বাঘি ২’ বা ‘ছিছোঁড়ে’র মতো ছবিতে মা-বাবার মতোই নিজের জাত চিনিয়েছেন অভিনেতা। দর্শক ও সমালোচকদের প্রশংসা আদায়ের পাশাপাশি প্রতীকের ঝুলিতে এসেছে পুরস্কারও।
প্রসঙ্গত, চলতি বছরের আগস্টে প্রতীকের সঙ্গে চার বছরের প্রেমজীবনের উদ্যাপন করেছিলেন প্রিয়া। গত চার বছর ধরে তিনি রাজ বব্বর-স্মিতা পাতিলের ছেলে প্রতীকের বাগ্দত্তা। সেই গল্প বলতে গিয়ে সমাজমাধ্যমে নিজেদের ছবি পোস্ট করেছিলেন প্রিয়া।
উল্লেখ্য, সলমনের পরবর্তী ছবি 'সিকন্দর'-এ একটি গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে দেখা যাবে প্রতীককে। আর মুরুগাদস পরিচালিত এই ছবিতে যোগ দিয়েছেন তিনি। নির্মাতারা জানিয়েছেন, সলমনের সঙ্গে ছবির শুটিং শুরু করেছেন প্রতীক বব্বর। আগামী বছর ইদে মুক্তি পাবে ‘সিকন্দর’।
















