মঙ্গলবার ১৬ এপ্রিল ২০২৪

সম্পূর্ণ খবর

HOOGLY PUJO : জগদ্ধাত্রী আরাধনায় প্রস্তুত আলোর শহর

Sumit | ১৬ নভেম্বর ২০২৩ ১৩ : ০১


মিল্টন সেন,হুগলি : জগদ্ধাত্রী বন্দনায় প্রস্তুত চন্দননগর, প্রায় ২৭০ বছর আগে কৃষ্ণনগরের রাজা কৃষ্ণচন্দ্রের সুহৃদ ইন্দ্র নারায়ণ চৌধুরির হাত ধরে চন্দননগরের চাউল পট্টি এলাকায় জগদ্ধাত্রী পুজোর সূচনা হয়েছিল। পরবর্তী সময়ে চাউল পট্টি থেকে সেই পুজো ছড়িয়ে পড়ে সাবেক ফরাসডাঙার সব পাড়া মহল্লায়। এমনকি সেই পুজো ছড়িয়ে পড়ে পার্শ্ববর্তী শহর ভদ্রেশ্বরেও। বর্তমানে চন্দননগর কেন্দ্রীয় জগদ্ধাত্রী পুজো কমিটির নিয়ন্ত্রণে রয়েছে ১৭৭ টি পুজো। তার মধ্যে চন্দননগর থানা এলাকায় রয়েছে ১৩৩ টি এবং ভদ্রেশ্বরে হয় ৪৪ টি পুজো। এবছর ৬ টি পুজো তাদের জুবিলি উদযাপন করছে। শোভাযাত্রায় অংশগ্রহণ করবে ৬২ টি পুজো। শোভাযাত্রায় থাকবে ২৩০ টি লরি। শহর সংলগ্ন ১৭ টি গঙ্গার ঘাটে হবে প্রতিমা নিরঞ্জন। বৃহস্পতিবার কেন্দ্রীয় জগদ্ধাত্রী পুজো কমিটির সম্পাদক শুভজিৎ সাউ বলেছেন, চন্দননগরের ঐতিহ্যশালী জগদ্ধাত্রী পুজো সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে সব রকম প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। পুলিশ প্রশাসন যেমন থাকবে, পাশাপাশি থাকবে প্রত্যেক পুজো কমিটির নিজস্ব ভলেন্টিয়ার। এছাড়াও থাকবে কমিটির নিজস্ব নিরাপত্তা রক্ষী এবং সিসি টিভি ক্যামেরায় নজরদারি। কেন্দ্রীয় জগদ্ধাত্রী পুজো কমিটির দাবি এবার জগদ্ধাত্রী পুজো হবে পরিবেশ বান্ধব। প্লাস্টিক এবং থার্মোকল জাতীয় সামগ্রী ব্যবহারে নিষেধ করা হয়েছে। মায়ের ভোগ মাটির সরায় দিতে বলা হয়েছে। কোনওভাবেই ডিজে ব্যবহার করা যাবে না। চন্দননগরের জগদ্ধাত্রী পুজোর মূল আকর্ষণ সাবেক বড় বড় প্রতিমা, শোভাযাত্রা এবং আলোক সজ্জা। যদিও বর্তমানে পুজোয় একাধিক থিমের মণ্ডপ নজরে পড়বে। তবুও চন্দননগরের আলোর জাদু দেখতে রাজপথে ভিড় জমে চারটে দিন। হাতে আর বেশি সময় নেই তাই প্রতিমা তৈরি, মণ্ডপসজ্জা, আলোকসজ্জার প্রস্তুতি শেষ পর্যায়ে। 



বিশেষ খবর

নানান খবর

রজ্যের ভোট

নানান খবর

সোশ্যাল মিডিয়া