জেন জি-দের কাছে কনটেন্ট মানেই স্ক্রল, রিল, ট্রেন্ডিং। কিন্তু একটা সোনালি যুগ তারা পুরোপুরি মিস করেছে। নয়ের দশকের দূরদর্শন–এর সেই নির্মল, গুড-ওল্ড, মেইড-ইন-ইন্ডিয়া ক্লাসিক কনটেন্ট, যা ছিল সহজ, সরল, অথচ গভীর। বিশ্ব টেলিভিশন দিবসে তাই সন্ধান রইল সাতটি দূরদর্শনের শো, যা প্রত্যেক জেন জি-র অন্তত একবার দেখা উচিত। কারণ এগুলো শুধু শো নয়, ভারতীয় গল্প বলার ঐতিহ্যের সত্যিকারের মেরুদণ্ড।
2
8
মালগুডি ডেজ (১৯৮৬): আর.কে. নারায়ণের গল্প আর শঙ্কর নাগের নির্দেশনা মিলিয়ে তৈরি হয় ভারতের অন্যতম সেরা টেলিভিশন ক্লাসিক। ছোট্ট স্বামী নাথনের দুনিয়া, মালগুডির অলস দুপুর, সাদামাটা মানুষদের আন্তরিক গল্প...এ যেন সেলুলয়েডে ছাপা নস্টালজিয়ার গন্ধ। জেন জি–রাও আজও এর উষ্ণতা অনুভব করবে।
3
8
শক্তিমান (১৯৯৭-২০০৫): মুকেশ খান্না। ইন্ডিয়ার প্রথম ‘দেশি সুপারহিরো’। সপ্তাহে একদিন, সাধারণ মানুষ থেকে সুপারহিরো হওয়া সেই বিখ্যাত ট্রান্সফরমেশন, আর শেষে নীতিকথাএটাই ছিল ভারতীয় পপ কালচারের শুরুর দিন। মার্ভেলের এর বহু আগেই ভারত সুপারহিরো কালচার পেয়েছিল।
দেখ ভাই দেখ (১৯৯৩): ভারতের প্রথম সিটকম! দেওয়ান পরিবারের পাগলামি, হাসি, ভালবাসা। সব মিলিয়ে এক টুকরো খাঁটি ফিল-গুড মুহূর্ত। আজকের জেন জি-দের কাছে অবাক করার মতো ‘রিলেটেবল’ হবে এই ধারাবাহিক।
6
8
সুরভি (১৯৯০-২০০১): রেণুকা সাহানে-সিদ্ধার্থ কাকের হাত ধরে ভারত জেনেছিল নিজের আসল সংস্কৃতি, খাবার, মানুষ, উৎসবের গল্প। যাকে বলে একেবারে সত্যিকারের ট্রাভেল-কালচার শো।
7
8
ফৌজি: এটাই শাহরুখ খানের প্রথম আসল উত্থান। লেফটেন্যান্ট অভিনিউ রায়ের চরিত্রে শাহরুখের নির্ভার, প্রাকৃতিক অভিনয় আজও হৃদয় ছুঁয়ে যায়। পাশাপাশি সেনা জীবনের বাস্তবতাও তুলে ধরেছিল অসাধারণভাবে।
8
8
হাম পাঁচ (১৯৯৫-১৯৯৯): এক বাবা, পাঁচ আলাদা অলাদা ব্যক্তিত্বের মেয়ে আর শুরু হুল্লোড়! বিদ্যা বালানের প্রথম দিকের ঝলকও মিলবে এখানে। হালকা মেজাজের এই কমেডি আজও দুর্দান্ত ‘মুড ফিক্সার’।