আজকাল ওয়েবডেস্ক: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র-ইরান যুদ্ধকালীন পরিস্থিতির মাঝেই তড়িঘড়ি সৌদি আরব ছাড়লেন ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডো। রিয়াদে মার্কিন দূতাবাসে ড্রোন আক্রমণের পর দেশ ছাড়ার সিদ্ধান্ত নেন পর্তুগিজ তারকা। নিজের প্রাইভেট জেটে সৌদি আরব ছাড়েন সিআরসেভেন। বিস্ফোরণের পর নিজের পরিবার নিয়ে ইউরোপ পাড়ি দেন ৪১ বছরের তারকা। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, ইজরায়েল এবং ইরানের মধ্যে যুদ্ধকালীন পরিস্থিতিতে তারকাদের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। রোনাল্ডোর পাশাপাশি সাদিও মানে, জো ফেলিক্স, করিম বেঞ্জিমারাও সৌদি প্রো লিগে খেলেন।
২৮ ফেব্রুয়ারি রিয়াদে একাধিক বিস্ফোরণের পর পরিস্থিতি কিছুটা জটিল হয়। তারপর স্ট্রাইক শুরু হয়। আসন্ন বিপদের কথা জানায় সৌদি সরকার। রিপোর্ট অনুযায়ী, ইরান সরাসরি মার্কিন দূতাবাসে আক্রমণ করে। সৌদি ফুটবলের ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর রোনাল্ডো। ২০২৩ সালে আল নাসেরে যোগ দেওয়ার পর থেকে সৌদিতে থাকেন পর্তুগিজ তারকা। নিজের প্রাইভেট জেট গাল্ফস্ট্রিম জি ৬৫০, যার মূল্য প্রায় ৭৫০ কোটি, সেই বিমানে ফিরেছেন রোনাল্ডো। এই এয়ারক্রাফটকে 'ফ্লায়িং ম্যানশন' বলা হয়। বিশ্বের সবচেয়ে বিলাসবহুল প্রাইভেট জেটের মধ্যে অন্যতম। ১৯ জন যাত্রী বহন করতে পারে। একটানা ৭০০০ মাইল উড়তে পারে।
রোনাল্ডোর সৌদি আরব ছাড়ায় সৌদি আরব প্রো লিগকে প্রশ্নের মুখে ফেলেছে। এই ঘটনার জেরে আল নাসের, আল হিলাল এবং আল ইত্তিহাদের ম্যাচ পিছিয়ে দেওয়া হয়েছে। বেঞ্জিমা সহ বাকি তারকারা পরিস্থিতিতে নজর রাখছে। সৌদির ফুটবল কর্তারা দাবি করেছেন, পরিস্থিতি আয়ত্তের মধ্যে আছে। নিরাপত্তাজনিত কোনও সমস্যা নেই। কিন্তু রোনাল্ডোর সৌদি আরব ছাড়া নিঃসন্দেহে একটা সংশয় তৈরি করেছে।
