আজকাল ওয়েবডেস্ক: নিউ জিল্যান্ডের বিরুদ্ধে দুর্দান্ত ছন্দে ধরা দেন বিরাট কোহলি। তিন ম্যাচের সিরিজে ভারতীয় ব্যাটারদের মধ্যে কোহলি সর্বোচ্চ রান করেন। তার মধ্যে রয়েছে একটি শতরানও। প্রথম ওয়ানডেতে কোহলি সাত রানের জন্য সেঞ্চুরি পাননি। দ্বিতীয় ওয়ানডেতে অবশ্য রান পাননি তিনি। 

তৃতীয় ওয়ানডেতে কোহলির শতরানে একসময়ে ভারত জয়ের গন্ধ পেতে শুরু করেছিল। কিন্তু তিনি ফিরে যেতেই ভারতের জয়ের আশা শেষ হয়ে যায়। 

৯১ বলে তিনি তিন অঙ্কের ম্যাজিক ফিগারে পৌঁছন। আর এই সেঞ্চুরি করে নজির গড়লেন কোহলি। নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে এটা কোহলির সপ্তম সেঞ্চুরি। কিউয়িদের বিরুদ্ধে কোনও ব্যাটার এতগুলো সেঞ্চুরি করতে পারেননি। ইন্ডোরে অনুষ্ঠিত তৃতীয় ওয়ানডে ম্যাচের আগে রিকি পন্টিং, বীরেন্দ্র শেহবাগের সঙ্গে একই ব্র্যাকেটে ছিলেন কোহলি। প্রত্যেকের সেঞ্চুরির সংখ্যা ছিল ৬। কিন্তু তৃতীয় ওয়ানডেতে কোহলি ছাপিয়ে গেলেন পন্টিং-বীরুকেও। শচীন তেণ্ডুলকর ও সনৎ জয়সূর্যের সেঞ্চুরি সংখ্যা পাঁচ। 

ইন্ডোরে বিরাট কোহলি ও হর্ষিত রানার পার্টনারশিপ প্রায় জিতিয়ে দিচ্ছিল ভারতকে। 

কিন্তু শেষ হাসি তোলা রইল কিউয়িদের জন্য।  হর্ষিত রানাও ফিরে গেলেন। বাকিরাও দাঁড়াতে পারলেন না। দুরন্ত ছন্দে থাকা বিরাট কোহলিরও দুর্দান্ত ইনিংস থেমে গেল। ভারত সিরিজ হেরে বসল। কোহলি ও রানার পার্টনারশিপ স্বপ্ন দেখাতে শুরু করেছিল। হর্ষিত রানার কাছ থেকে দল যা চাইছে, সেটাই তিনি করে দেখালেন। 

কোহলি স্বপ্নের ইনিংস খেললেন। তাঁকে কেন চেজমাস্টার বলা হয়, সেটাই আরও একবার প্রমাণিত হল। ৫০ ওভারে ৩৩৭ রান বিশাল। সেই রান তাড়া করতে নেমে শুরু থেকেই যদি নিয়মিত ব্যবধানে উইকেট পড়তে থাকে, তাহলে ম্যাচ জেতা কঠিন হয়ে পড়ে। 

কিন্তু কোহলি প্রথমে নীতীশ রেড্ডি, পরে হর্ষিত রানার সঙ্গে দুর্দান্ত পার্টনারশিপ গড়েন। গোটা দেশ স্বপ্ন দেখতে শুরু করে বিরাট ইনিংস খেলে কোহলি বোধহয় ম্যাচটা জিতিয়ে দেবেন। কিন্তু যা ভাবা হয়  তা সবসময়ে হয় না। কোহলি রান মেশিন থেমে যান। হর্ষিত রানাও ফিরে যান। ফলে কোহলি রেকর্ড ভেঙেও ম্যাচ জেতাতে পারলেন না ভারতকে। সেই সঙ্গে সিরিজও হারতে হল ভারতকে।