ভারতে পাঁচ দিনের ব্যাঙ্কিং সপ্তাহের দাবি বহুদিনের। ২০১৫ সাল থেকেই ব্যাঙ্ককর্মী ইউনিয়নগুলি উন্নত কর্ম-জীবন ভারসাম্যের জন্য এই দাবি জানাচ্ছে। তাদের দাবি, ব্যাঙ্কগুলি সোমবার থেকে শুক্রবার পর্যন্ত কাজ করবে। শনি ও রবিবার বন্ধ থাকবে। যদিও আরবিআই এখনও পর্যন্ত এই দাবিতে সিলমোহর দেয়নি।
2
6
সেই একই দাবিতে ফের ব্যাঙ্ক ধর্মঘটের ডাক দিল ব্যাঙ্ক কর্মীরা। আগামী ২৭ জানুয়ারি ধর্মঘটের ডাক দেওয়া হয়েছে। যদি এই ধর্মঘট পালিত হয় তাহলে টানা চার দিন ব্যাঙ্কিং পরিষেবা বন্ধ থাকবে। এর ফলে ভোগান্তির মুখে পড়তে হতে পারে গ্রাহকদের।
3
6
আগামী ২৪ জানুয়ারি মাসের চতুর্থ শনিবার ছুটির দিন, ২৫ জানুয়ারি রবিবার সাপ্তাহিক ছুটি, ২৬ জানুয়ারি প্রজাতন্ত্র দিবসের জাতীয় ছুটি, ২৭ জানুয়ারি ধর্মঘট সফল হলে সেদিনও ব্যাঙ্ক বন্ধ থাকতে পারে।
4
6
ইউনিয়নগুলির বহুদিনের দাবি, পাঁচ দিনের ব্যাঙ্কিং সপ্তাহ করলে কর্মীদের উপর চাপ কমবে অনেকটা। তাঁদের কর্ম-জীবন ভারসাম্য বজায় থাকবে। ব্যাঙ্ক ইউনিয়নগুলির সংগঠন ইউনাইটেড ফোরাম অফ ব্যাঙ্ক ইউনিয়ন (ইউএফবিইউ) জানিয়েছে, প্রয়োজনে দৈনিক ৪০ মিনিট করে বেশি সময় ব্যাঙ্ক খোলা রাখা হোক যাতে প্রতি সপ্তাহের নির্দিষ্ট কর্মঘণ্টা বজায় থাকে। রিজার্ভ ব্যাঙ্ক, এলআইসি, জিআইসি এবং অন্যান্য অনের কেন্দ্রীয় সরকারি অফিস পাঁচ দিনের সপ্তাহ মেনে চলে। ব্যাঙ্ককর্মীরাও সেটাই চান।
5
6
ইউএফবিইউ-এর ছাতার তলায় দেশের ন’টি প্রধান সরকারি ব্যাঙ্কের ইউনিয়ন এবং কয়েকটি পুরনো বেসরকারি ব্যাঙ্কের ইউনিয়ন রয়েছে। দেশের বৃহৎ ব্যাঙ্কিং নেটওয়ার্কে পাঁচ দিনের সপ্তাহ চালু করা বেশ জটিল পদ্ধতি। এই পদক্ষেপের জন্য রিজার্ভ ব্যাঙ্কের মান্যতা প্রয়োজন।
6
6
ব্যাঙ্ক বন্ধ থাকলেও ইউপিআই, আইএমপিএস এবং নেট ব্যাঙ্কিংয়ের মতো পরিষেবা চালু থাকবে। যদিও বিশেষজ্ঞদের মত, চারদিন ব্যাঙ্ক বন্ধ থাকার ফলে এটিএম-গুলিতে নগদের অভাব দেখা দিতে পারে। গ্রাহকদের ২৩ জানুয়ারির মধ্যে সব ধরনের ব্যাঙ্কের কাজ সেরে রাখার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।