আজকাল ওয়েবডেস্ক: রিয়াল মাদ্রিদের বিরুদ্ধে স্প্যানিশ সুপার কাপ জয়ের আনন্দে গোটা এফসি বার্সেলোনা শিবির মেতে উঠেছে একদিকে। আর অন্যদিকে নিজের জগতে মজে রয়েছেন লামিন ইয়ামাল।

এল ক্লাসিকো জিতে, সুপার কাপ জিতেও অনিচ্ছাকৃত এক ঘটনায় আলোচনার কেন্দ্রে চলে এলেন বার্সেলোনার তরুণ তারকা। ম্যাচ-পরবর্তী সেলিব্রেশনের সময় ইনস্টাগ্রাম লাইভে ড্রেসিংরুমের দৃশ্য তুলে ধরতে গিয়ে ইয়ামালের ক্যামেরায় ধরা পড়ে যান গোলরক্ষক উইলিয়াম সেজনি। তাঁকে ধূমপান করতে দেখা যায়।

সুপারকোপা জয়ের পর ইয়ামাল ড্রেসিংরুম থেকে লাইভ ভিডিও করছিলেন। ক্যামেরা ঘোরানোর সময় অল্প সময়ের জন্য ধরা পড়ে যায় সেজনিকে সিগারেট হাতে।

বিষয়টি বুঝতে পেরেই দ্রুত ক্যামেরা নিজের দিকে ফেরান ইয়ামাল এবং তাঁকে বলতে শোনা যায়, ‘এটা রেকর্ড করা যাবে না।’ সঙ্গে সঙ্গেই লাইভ বন্ধ করে দেন তিনি।

তবে কয়েক সেকেন্ডের সেই ভিডিও ইতিমধ্যেই সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়ে। তবে সেজনির ধূমপান করার ঘটনা এই প্রথম নয়। এর আগেও ২০২৫ সালে রিয়াল মাদ্রিদের বিরুদ্ধে সুপার কাপ জয়ের পর সেজনিকে ড্রেসিংরুমে ধূমপান করতে দেখা গিয়েছিল।

সেই সময়ও বিষয়টি নিয়ে সমর্থক ও বিশ্লেষকদের মধ্যে বিতর্ক তৈরি হয়। যদিও বার্সেলোনায় যোগ দেওয়ার পর থেকেই নিজের এই অভ্যাস নিয়ে খোলাখুলি কথা বলে আসছেন পোলিশ গোলরক্ষক।

বার্সা সমর্থকরাও বিষয়টিকে হালকাভাবেই নিয়েছেন। অনেক সময় ম্যাচ চলাকালীন ‘সেজনি ফুমাদোর’ ধ্বনিতে স্টেডিয়াম মুখরিত হয়। বলা হয়, এই ধ্বনি তাঁর ধূমপানের অভ্যাসকে নিয়ে মজার ছলে করা মন্তব্য।

সেজনি আগেই জানিয়েছেন, ধূমপান তাঁর ব্যক্তিগত বিষয় এবং শুধুমাত্র ক্লাবের হয়ে খেলার কারণে তিনি এই অভ্যাস বদলাতে চান না। উল্লেখ্য, সুপারকোপা ফাইনালে গোটা ম্যাচ ছিল নাটকীয়তায় ভরপুর।

৩৬ মিনিটে রাফিনহার গোলে এগিয়ে যায় বার্সেলোনা। পরে দুর্দান্ত একক প্রচেষ্টায় সমতা ফেরান ভিনিসিয়াস জুনিয়র। ঠিক তারপরেই রবার্ট লেওয়ানডস্কি আবার বার্সাকে এগিয়ে দিলেও বিরতির ঠিক আগে গোল করে ম্যাচ ২-২ করেন গনজালো গার্সিয়া।

দ্বিতীয়ার্ধে ম্যাচের রাশ ফের নিজেদের দিকে নিয়ে আসেন রাফিনহাষ তাঁর একটি দূরপাল্লার শট ডিফ্লেকশনে থিবো কুর্তোয়াকে পরাজিত করে জালে ঢুকে যায়।

শেষ দিকে ফ্র্যাঙ্কি ডি জং লাল কার্ড দেখলেও এবং কিলিয়ান এমবাপেকে নামিয়ে রিয়াল চাপ বাড়ালেও বার্সেলোনা শেষ পর্যন্ত লিড ধরে রেখে ট্রফি ঘরে তোলে।