আজকাল ওয়েবডেস্ক: অ্যাশেজে দীর্ঘ সাত বছরের অপেক্ষার অবসান ঘটালেন ট্র্যাভিস হেড। ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে সিডনি ক্রিকেট গ্রাউন্ডে পঞ্চম ও শেষ টেস্টে দুর্দান্ত ইনিংস খেলে ইতিহাস গড়লেন অস্ট্রেলিয়ার এই বাঁহাতি ব্যাটার।

সিডনি টেস্টের দ্বিতীয় দিনে অ্যাশেজের এক সিরিজেই ৫০০ বা তার বেশি রান করা প্রথম অস্ট্রেলিয়ান হিসেবে নিজের নাম লেখালেন গত সাত বছরে। শেষবার এই কীর্তি গড়েছিলেন স্টিভ স্মিথ।

২০১৯ সালের অ্যাশেজে চার ম্যাচে ৭৭৪ রান করেছিলেন স্মিথ। তাঁর ব্যাটিং গড় ছিল ১১০.৫৭। সেই সিরিজে তিনটি সেঞ্চুরি করেছিলেন তিনি, যার মধ্যে ম্যাঞ্চেস্টারের ওল্ড ট্র্যাফোর্ডে ২১১ রান ছিল সর্বোচ্চ।

একবিংশ শতাব্দীতে ট্র্যাভিস হেড মাত্র তৃতীয় অস্ট্রেলিয়ান ব্যাটার হিসেবে এই মাইলফলকে পৌঁছালেন। এর আগে ২০১০–১১ অ্যাশেজে মাইকেল হাসি পাঁচ ম্যাচে ৫৭০ রান করেছিলেন, গড় ছিল ৫২.৫৩।

একবিংশ শতাব্দীতে এক অ্যাশেজ সিরিজে সর্বাধিক রান: 

স্টিভ স্মিথ (অস্ট্রেলিয়া) – ২০১৯: ৪ ম্যাচে ৭৭৪ রান

অ্যালিস্টার কুক (ইংল্যান্ড) – ২০১০–১১: ৫ ম্যাচে ৭৬৬ রান 

স্টিভ স্মিথ (অস্ট্রেলিয়া) – ২০১৭–১৮: ৫ ম্যাচে ৬৮৭ রান

মাইকেল ভন (ইংল্যান্ড) – ২০০২–০৩: ৫ ম্যাচে ৬৩৩ রান

রিকি পন্টিং (অস্ট্রেলিয়া) – ২০০৬–০৭: ৫ ম্যাচে ৫৭৬ রান

মাইকেল হাসি (অস্ট্রেলিয়া) – ২০১০–১১: ৫ ম্যাচে ৫৭০ রান

ইয়ান বেল (ইংল্যান্ড) – ২০১৩: ৫ ম্যাচে ৫৬২ রান

ট্র্যাভিস হেড (অস্ট্রেলিয়া) – ২০২৫: ৫ ম্যাচে ৫২৮ রান

উল্লেখ্য, পঞ্চম অ্যাশেজ টেস্টের দ্বিতীয় দিনে অস্ট্রেলিয়ার ব্যাটিংয়ে মূল ভরসা হয়ে উঠেছেন ট্র্যাভিস হেড। মাত্র ৮৭ বলে ৯১ রানে অপরাজিত রয়েছেন তিনি।

তাঁর ইনিংসে এখনও পর্যন্ত ১৫টি বাউন্ডারি মেরেছেন তিনি। মাত্র ৫৫ বলেই হাফ-সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন হেড। ইংল্যান্ডের প্রথম ইনিংসে জো রুটের দুর্দান্ত ১৬০ রানের সুবাদে ৩৮৪ রান তোলার পর হেডের ব্যাটিংয়েই ম্যাচে রয়েছে অস্ট্রেলিয়া।

অজি ওপেনারের দুর্দান্ত ইনিংসের সুবাদে দিনের শেষে অস্ট্রেলিয়া ২১৮ রানে পিছিয়ে থাকলেও হেডের আক্রমণাত্মক অথচ নিয়ন্ত্রিত ইনিংস দলের লড়াইয়ের মনোভাব স্পষ্ট করে দেয়।

মার্নাস লাবুশেনের সঙ্গে ১০৫ রানের গুরুত্বপূর্ণ জুটি গড়েন হেড। লাবুশেন করেন ৪৮ রান। ব্যাট করতে নেমে শুরুতে উইকেট পড়ে গেলেও হেড-লাবুশেনের পার্টনারশিপ অস্ট্রেলিয়ার ইনিংসকে স্থিতিশীল করে। এদিন ৯১ রানে অপরাজিত থাকলেও তৃতীয় দিন ব্যাট করতে নেমে বড় রানের লক্ষ্যে এগোচ্ছেন হেড।