আজকাল ওয়েবডেস্ক: টি–২০ সিরিজে দুর্দান্ত ফর্মে রয়েছে টিম ইন্ডিয়া। নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে ঘরের মাঠে পাঁচ ম্যাচের টি–২০ সিরিজ ইতিমধ্যেই ৩–০ জিতে নিয়েছে। বাকি রয়েছে আরও দুটি ম্যাচ। সূর্যরা যা খেলছেন, তাতে টি–২০ বিশ্বকাপে টিম ইন্ডিয়াকে নিয়ে বাজি ধরতে শুরু করেছেন ভারতীয় ক্রিকেটপ্রেমীরা।
সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে রবি শাস্ত্রী জানান, বিশ্বকাপে অভিষেকের ব্যাট চললে ভারতকে আটকানো খুব কঠিন হবে। ভারতের আর এক কিংবদন্তি সুনীল গাভাসকারও তাই বলছেন। তিনি মনে করছেন, এই টিমটা বেশ ফোকাসড। তবে আসল লড়াই শুরু ৭ ফেব্রুয়ারি থেকে।
সানির কথায়, ‘এই সিরিজটা শুধুই প্রস্তুতির। আসল লড়াই শুরু হবে ৭ ফেব্রুয়ারি থেকে। ভারত দু’ ম্যাচ বাকি থাকতেই সিরিজ জিতে গিয়েছে। এখন টিমের একটাই ফোকাস হওয়া উচিত। সেটা বিশ্বকাপের খেতাব ধরে রাখা। প্রথম তিন ম্যাচে অনেকেই সেভাবে সুযোগ পায়নি। আসলে ভারত প্রত্যেক ম্যাচেই অনায়াসে রান তাড়া করে জিতেছে। সবাইকে দেখে মনে হচ্ছে ওরা রেঞ্জ হিটিং, টাইমিংয়ের উপর অনেক বেশি জোর দিচ্ছে।’
দেশের চিরশ্রেষ্ঠ ওপেনারের আরও সংযোজন, ‘ক্রিকেটারদের ব্যাটের ফ্লো দেখলেই তা বোঝা যাচ্ছে। এই টিম ঠিক কতটা ফোকাসড, সেটা বেশ ভাল বোঝা যাচ্ছে। ঘরের মাঠে বিশ্বকাপ হলেও ওরা একেবারেই হালকাভাবে নিচ্ছে না। বরং দারুণভাবে প্রস্তুতি সারছে। সবচেয়ে বড় কথা এই দলটাকে অসম্ভব আত্মবিশ্বাসী দেখাচ্ছে। রিঙ্কু সিং, হার্দিক পাণ্ডিয়ার মতো ক্রিকেটার লোয়ার অর্ডারে ব্যাট করতে আসছে। তিনটে ম্যাচের মধ্যে দুটোতে আবার ওদের ব্যাটই করতে হয়নি। এটাই বুঝিয়ে দিচ্ছে এই টিমের গভীরতা কতটা।’
এটা ঘটনা, ব্যাটিংয়ের পাশাপাশি ভারতীয় বোলিংও যথেষ্ট শক্তিশালী। জসপ্রীত বুমরা তো আছেনই। স্পিন অ্যাটাকে বরুণ চক্রবর্তী, কুলদীপ যাদব, অক্ষর প্যাটেলরা রয়েছেন। দ্বিতীয় ম্যাচে বিশ্রাম দেওয়া হয়েছিল বুমরাকে। গুয়াহাটিতে ফিরেই আগুনে বোলিং করেছেন। ম্যাচের সেরা হয়েছেন। বুমরা বলেছেন, ‘টিমের প্রয়োজনে আমি যে কোনও জায়গায় বোলিং করতে পারি। ওরা যদি শুরুতে বোলিং করার কথা বলে, তাহলে অবশ্যই ভাল লাগবে। আবার ডেথ ওভারে বোলিং করতে বললে, সেটার জন্যও প্রস্তুত। এশিয়া কাপে আমি সেটা করেছি।’
