আজকাল ওয়েবডেস্ক: বিশ্বকাপে নেই বাংলাদেশ। আইসিসি নিয়েছে কড়া সিদ্ধান্ত। তবে এখানেই থেমে থাকা নয়। জানা গেছে, বাংলাদেশের অন্তত ১৫০ জন সাংবাদিককে ভারতে আসার অনুমতি দেয়নি আইসিসি। সকলের অ্যাক্রেডিটেশনের আবেদন খারিজ করে দেওয়া হয়েছে। যাদের অ্যাক্রেডিটেশন মঞ্জুর হয়ে গিয়েছিল, সেটাও বাতিল করে দেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।
বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের মিডিয়া কমিটির চেয়ারম্যান আমজাদ হোসেন গোটা বিষয়টি জানিয়েছেন। তাঁর কথায়, বাংলাদেশের ১৩০ থেকে ১৫০ জন সাংবাদিক টি–২০ বিশ্বকাপের জন্য আইসিসির কাছে মিডিয়া ছাড়পত্রের আবেদন করেছিলেন। কিন্তু কাউকেই অ্যাক্রেডিটেশন দেওয়া হয়নি। কয়েকজন চিত্র সাংবাদিককে আগেই ছাড়পত্র দিয়ে দিয়েছিল আইসিসি। কিন্তু বাংলাদেশ বিশ্বকাপ থেকে সরে যাওয়ার পরে তাঁদের অ্যাক্রেডিটেশনও বাতিল করে দেওয়া হয়েছে। এই কথা জানার পরেই বাংলাদেশের সাংবাদিক মহলে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়।
তবে শেষ খবরে জানা গেছে, কিছুটা নমনীয়তা দেখিয়েছে আইসিসি। সংবাদসংস্থা পিটিআইকে আইসিসির এক সূত্র জানিয়েছে, ‘নতুন করে সবটা করা হচ্ছে। যেহেতু আবেদনের সংখ্যা বেড়েছে ও সূচি বদলেছে তাই সময় লাগছে। সাংবাদিকদের কার্ড দেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।’
এর পাশাপাশি একটি শর্তের কথাও জানা গিয়েছে। ওই সূত্র বলেছে, ‘প্রতিটা দেশের একটা নির্দিষ্ট কোটা থাকে। ৪০ জনের বেশি সাংবাদিককে কার্ড দেওয়া যায় না। কিন্তু বাংলাদেশ থেকে অনেক বেশি সাংবাদিক কার্ডের আবেদন করেছেন। প্রত্যেককে তো দেওয়া যাবে না। কাদের কার্ড দেওয়া হবে তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তার পর তাদের কার্ড দিয়ে দেওয়া হবে।’
আইসিসি সূত্রের খবর, অন্তত ৮০ থেকে ৯০ জন বাংলাদেশি সাংবাদিক কার্ডের জন্য আবেদন করেছেন। কিন্তু অত জনকে কার্ড দেওয়া সম্ভব নয়। ৪০ জনের বেশি কাউকে কার্ড দেওয়া যাবে না বলেই জানিয়েছে বিশ্বক্রিকেটের নিয়ামক সংস্থা।
প্রসঙ্গত, ১৯৯৯ সাল থেকে আইসিসি প্রতিযোগিতায় খেলছে বাংলাদেশ। কিন্তু সেখানকার সাংবাদিকরা আরও আগে থেকে বিশ্বকাপের মতো প্রতিযোগিতায় থেকেছেন। ১৯৯৬ সালের বিশ্বকাপেও বাংলাদেশের সাংবাদিক গিয়েছিলেন। ১৯৯৯ থেকে সংখ্যাটা ক্রমশ বেড়েছে। এটা ঘটনা, আইসিসির পূর্ণ ও সহযোগী সদস্য দেশের মধ্যে যারা বিশ্বকাপ বা অন্য আইসিসি প্রতিযোগিতায় খেলার সুযোগ পায় না, সেই সব দেশের সাংবাদিকদেরও বিশ্বকাপের ম্যাচে থাকার অনুমতি দেয় আইসিসি। ফুটবল বিশ্বকাপের ক্ষেত্রে ফিফাও সেই নিয়ম মেনে চলে। কিন্তু এবার বাংলাদেশের সাংবাদিকদের ক্ষেত্রে আইসিসি তা মানেনি বলে সে দেশের সাংবাদিকরা অভিযোগ করেছেন। যার পাল্টা দিল জয় শাহর আইসিসি।
