আজকাল ওয়েবডেস্ক:‌ যুবরাজের কাছে ছয় ছক্কা খেয়েছিলেন। ২০০৭ সালে টি–২০ বিশ্বকাপে। ইংরেজ পেসার স্টুয়ার্ট ব্রড এতদিনে জানালেন, ওই ছয় ছক্কা খাওয়ার ঘটনা তাঁকে সফল ক্রিকেটার হতে সাহায্য করেছে। ব্রডের মতে, ওই ঘটনা ছিল তাঁর গালে ‘সপাটে এক থাপ্পড়’।


ম্যাথু হেডেনের পডকাস্ট ‘অল ওভার বার’–এ ব্রড বলেছেন, ‘‌আমার জীবনে সবচেয়ে বড় থাপ্পড়টা এসেছিল খুব কম বয়সেই। তখন ২০ কিংবা ২১ হবে বয়স। ওই ছ’টা বলই আমাকে অনেক কিছু শিখিয়েছিল। নিজেকে যোদ্ধার মতো গড়ে তুলেছিলাম। বুঝেছিলাম, ক্রিকেট খেলতে গেলে প্রস্তুতি কতটা জরুরি।’‌


তবে ব্রড কিন্তু কখনও চাননি ছয় ছক্কার মতো কোনও ঘটনা ঘটুক। কিন্তু সেই ম্যাচ থেকে অনেক কিছু ইতিবাচক পেয়েছিলেন তিনি। প্রাক্তন ইংরেজ বোলারের কথায়, ‘‌খেলাধুলোয় বিরক্তিকর একটা কথা আছে, ভাল জিনিস শিখে নাও। আমি কথাটা বলতে ভালবাসি না। তবে সেই ম্যাচে অনেক কিছু ভাল জিনিস শেখার মতো ছিল। আমরা বিশ্বকাপ থেকে ছিটকে গিয়েছিলাম। নিয়মরক্ষার ম্যাচ ছিল। পরের দিন সকালের বিমানের টিকিটও কাটা ছিল। সেই সময় প্রস্তুতি ব্যাপারটা ভাল করে বুঝতামই না।’‌ এরপরই স্টুয়ার্ট ব্রডের সংযোজন, ‘‌সেদিন ওই ম্যাচটার আগে মাত্র ২০ মিনিট প্রস্তুতির সময় ছিল। বল করতে আসার সময় বুঝতেই পারছিলাম না আমি কোথায় আছি, কোন দিক থেকে বল করব বা কীভাবে ফিল্ডিং সাজাব। বিশ্বকাপের ম্যাচে বল করার সময় এমন ঘটনা বিশ্বাসই করা যায় না। আমার প্রস্তুতি খুব খারাপ ছিল। কী বল করেছি বুঝিইনি। তার ফলে ছয় ছক্কা খেতে হয়েছিল।’‌


যদিও এই ঘটনা যে তাঁকে সফল বোলার হিসেবে গড়ে তুলতে সাহায্য করেছিল, তা স্বীকার করে নিয়েছেন ব্রড।

এদিকে, অ্যাশেজের পরেই চাকরি যেতে পারে ইংল্যান্ড কোচ ব্রেন্ডন ম্যাকালামের। সূত্রের খবর, ইংল্যান্ড অ্যান্ড ওয়েলস ক্রিকেট বোর্ড অ্যাশেজের পরেই কোচের পদ থেকে ছেঁটে ফেলতে পারে ম্যাকালামকে। তাঁর দায়িত্ব নিয়ে বিস্তর কাঁটাছেড়া চলছে ইসিবিতে। তাই এই সিরিজের পর ম্যাকালামের চাকরি গেলে অবাক হওয়ার কিছু থাকবে না। সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যম সূত্রে খবর, কোচ ম্যাকালামের ভবিষ্যৎ অ্যাশেজ সিরিজের পরেই চূড়ান্ত হয়ে যেতে পারে। মাত্র ১১ দিনে অ্যাশেজ হারা নিয়ে ইসিবি পর্যালোচনা করতে শুরু করেছে।