আজকাল ওয়েবডেস্ক: টি–২০ বিশ্বকাপে একটি ম্যাচেই হেরেছিল টিম ইন্ডিয়া। সেটা সুপার এইট দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে। সেই ম্যাচের প্রথম একাদশে রাখা হয়নি অক্ষর প্যাটেলকে। এই সিদ্ধান্তের সমালোচনা অনেকেই করেছিলেন। অবশেষে অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদবও মেনে নিলেন, এটা ভুল সিদ্ধান্ত ছিল।
সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে সূর্য বলেছিলেন, বাদ দেওয়ায় অক্ষর ভীষণ ভেঙে পড়েছিল। সূর্য এটাও বলেছেন, ম্যাচ শেষে ব্যক্তিগতভাবে তিনি অক্ষরের কাছে ক্ষমা চেয়েছিলেন।
ভারত বড় ব্যবধানে হারতেই অক্ষরকে বাদ দেওয়াটা অনেকেই মানতে পারেননি। এটা ঘটনা, চোটের জন্য গ্রুপের শেষ ম্যাচে অক্ষর খেলতে পারেননি। এরপর দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে ট্যাকটিকাল চেঞ্জের জন্য অক্ষরের পরিবর্তে ওয়াশিংটনকে খেলানো হয়। কিন্তু তিনি ব্যর্থ হন।
সূর্যর কথায়, ‘অক্ষর ভীষণ রেগে গিয়েছিল। তার যথেষ্ট কারণও ছিল। ও অভিজ্ঞ ক্রিকেটার। একটা ফ্রাঞ্চাইজির অধিনায়ক। ওর রাগার যথেষ্ট কারণ আছে।’ সূর্য এরপরই যোগ করেছেন, ‘খেলা শেষেই ক্ষমা চেয়েছিলাম। বলেছিলাম ভুল হয়ে গেছে। দুঃখিত। কিন্তু এটাও বলেছিলাম দলের জন্যই এই সিদ্ধান্তটা নিতে হয়েছিল। বিষয়টা আস্তে আস্তে মেনে নিয়েছিল অক্ষর। পরেরদিন ভুলেও গিয়েছিল।’
সুপার এইটে পরের ম্যাচেই দলে ফিরেছিলেন অক্ষর। সেমি ও ফাইনালেও দুর্দান্ত খেলেছিলেন। চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পর অক্ষর এক্স হ্যান্ডলে লিখেওছিলেন, ‘বিশ্বকাপ জেতার স্বপ্ন ছোটবেলা থেকেই ছিল। কিন্তু এই জয়টা স্পেশাল। আমার ছেলে খেলা দেখল। এটা আমার হৃদয়ের খুব কাছে থাকবে।’
এদিকে, নিজেদের পরিকল্পনামাফিক পিচ বানিয়ে টি–২০ বিশ্বকাপ জিতে নিয়েছে ভারত। এই অভিযোগ, বিশেষ করে পাকিস্তানিরা তুলতে শুরু করেছেন। যদিও এসব সমালোচনাকে পাত্তা দিচ্ছে না ভারতীয় শিবির।
হেড কোচ গৌতম গম্ভীর তো এসব সমালোচনাকে পাত্তাই দিতে রাজি নন। তিনি স্পষ্ট বলেছেন, এর আগে অস্ট্রেলিয়া, দক্ষিণ আফ্রিকাতেও ভারত প্রচুর রান তুলেছে। গম্ভীরের কথায়, আইসিসি ইভেন্টের নিয়ন্ত্রণ পুরোটাই থাকে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট সংস্থার উপর। এখানে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের কোনও ভূমিকাই নেই। গম্ভীর এটাও জোর দিয়ে বলেছেন, আধুনিক টি–২০ ক্রিকেট ব্যাটসম্যান নির্ভর। ব্যাটসম্যানদের কথা ভেবেই উইকেট তৈরি করা হয়।
