আজকাল ওয়েবডেস্ক: তিনি ক্রিকেট ঈশ্বর। শচীন তেন্ডুলকার। টেস্ট ও একদিনের ক্রিকেটে সর্বোচ্চ রানের মালিক তিনি। ২৪ বছরের আন্তর্জাতিক কেরিয়ার। সেই ঈশ্বর ক্রিকেট ব্যাট তুলে রেখেছিলেন ২০১৩ সালে।
সেই শচীনকে নিয়েই বিস্ফোরক তথ্য সামনে আনলেন বোর্ডের প্রাক্তন নির্বাচক প্রধান সন্দীপ পাটিল। তাঁর দাবি, ২০১২ সালেই নাকি শচীনের পরিবর্ত ঠিক করে ফেলেছিল বিসিসিআই। অর্থাৎ বোর্ডই আর চাইছিল না যে শচীন আর খেলুন।
এটা ঘটনা, ২০১২ সালটা শচীনের খুব খারাপ গিয়েছিল। নয় টেস্টে গড় ছিল মাত্র ২৩.৮০। একটিও শতরান ছিল না। আর দশ একদিনের ম্যাচে গড় ছিল ৩১.৫০।
সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে পাটিল বলেছেন, তিনি নাকি শচীনকে জিজ্ঞাসা করেছিলেন তোমার পরিকল্পনা কী? শচীন জবাবে বলেছিল, ‘কেন?’ এরপরই পাটিল নাকি বলেছিলেন, বোর্ড এবার পরিবর্ত খুঁজছে। শচীন নাকি এই কথা শুনে অবাক হয়ে গিয়েছিল। শচীন এরপর বলেছিল ‘তুমি সত্যি বলছ?’ জবাবে পাটিল নাকি বলেছিলেন, ‘হ্যাঁ’।
এরপরই সেই সাক্ষাৎকারে পাটিল জানান, এটা ঘটনা, নির্বাচক কমিটির হাতে সেই ক্ষমতা থাকে না যে কোনও ক্রিকেটারকে অবসর নিতে বাধ্য করা যেতে পারে। পাটিলের কথায়, ‘নির্বাচকরা একজন ক্রিকেটারকে দল থেকে বাদ দিতে পারে। কিন্তু এটা বলতে পারে না যে তোমার কেরিয়ার শেষ। আমার শচীনের পরিকল্পনা জানতে চেয়েছিলাম। সে বলেছিল খেলা চালিয়ে যেতে চায়। আমরা বলেছিলাম ঠিক আছে।’
এরপরই পাটিল বলেছিলেন, ‘তখনই একের পর এক ক্রিকেটার দলে ঢুকতে শুরু করেছিল। অনেকেই হয়ত আমাদের উপর রাগ করবেন। কারণ সে শচীন তেন্ডুলকার। কিন্তু তখন সামি রয়েছে। বুমরা চলে এসেছে। অশ্বিন, জাদেজা, রাহানেরা রয়েছে। এই বদল গুলো নিয়ে কিন্তু কেউ কিচ্ছু বলে না। তারা শুধু মনে রাখে আমরা শচীনকে বাদ দিতে চেয়েছিলাম।’
যদিও ২০১৩ সালের নভেম্বরে ওয়েস্ট বিরুদ্ধে শেষ টেস্ট খেলেছিলেন শচীন। ঘরের মাঠ ওয়াংখেড়েতে।
