আজকাল ওয়েবডেস্ক: মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরেছেন শ্রেয়স আইয়ার। আবার স্বমহিমায় আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের মঞ্চে। প্রত্যাবর্তনের পর প্রথম ম্যাচে রান পান। নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে দ্বিতীয় ম্যাচে ব্যর্থ। দীর্ঘদিন পর গুরুতর চোট প্রসঙ্গে কথা বলেন। জানান, প্রথমে চোটের গুরুত্ব বুঝতে পারেননি। হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পর বুঝতে পারেন। জানান, প্রচণ্ড যন্ত্রণার মধ্যে দিয়ে যান। চোট প্রসঙ্গে শ্রেয়স বলেন, 'খুবই যন্ত্রণার। আমি প্রথমে চোটের গুরুত্ব বুঝতে পারিনি। জানতাম না আমাদের শরীরে প্লীহা কতটা গুরুত্বপূর্ণ। আমি আগে শব্দটাই শুনিনি। পরের দিন হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পর বুঝতে পারি চোট গুরুত্বপূর্ণ।' 

এই চোট তাঁর অগ্রগতির পথে বাধা হয়ে দাঁড়ায়। তিনি সবসময় সক্রিয় থাকতে ভালবাসেন। তাঁর মতো একজনের পক্ষে এমন পরিস্থিতির সঙ্গে মানিয়ে দেওয়া কঠিন হয়। শ্রেয়স বলেন, 'আমার মনে হয়েছিল, নিজেকে কিছুটা সময় দেওয়া প্রয়োজন। আমি দীর্ঘক্ষণ একটা জায়গায় বসে থাকতে পারি না। আমি কিছু না কিছু করতেই থাকি। তবে এই চোট আমাকে ভাবতে শেখায়। আমি বিশ্রাম নেওয়ারও সুযোগ পাই। কারণ ফিট হতে একটা দীর্ঘ সময় লাগে।' রিকভারির সময় চিকিৎসকদের পরামর্শ পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে পালন করেন। শ্রেয়স বলেন, 'নিজেকে কিছুটা সময় দিতে হত। আমাকে বলা হয়েছিল, ৬ থেকে ৮ সপ্তাহের মধ্যে আমি স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে পারব, ট্রেনিং শুরু করতে পারব। আমি গাইডলাইন মেনে চলি। তারপর কোনও সমস্যা হয়নি।' 

দীর্ঘদিন পর মাঠে ফিরে তাড়াহুড়ো করতে চান না তারকা ক্রিকেটার। স্বাভাবিক ছন্দে এগোতে চান। শ্রেয়স বলেন, 'সত্যি বলতে, আমি বাড়তি কিছু করতে চাই না। নিজের সহজাত প্রবৃত্তি মেনে চলতে চাই।' বিরাট কোহলির সঙ্গে ব্যাট করার বিশেষ উল্লেখ করেন। একসঙ্গে ব্যাট করার সময়, দু'জনের মধ্যে কী কথা হয়? শ্রেয়স বলেন, 'আমাদের কথাবার্তা খুব মজার।' জানান, লক্ষ্য থাকে ইতিবাচক ক্রিকেট খেলে বোর্ডে বড় রান তোলা। যাতে বোলাররা আত্মবিশ্বাস পায়। শ্রেয়স মনে করেন, এই মাইন্ডসেট আরও ভাল খেলতে এবং ম্যাচ জিততে সাহায্য করে। দীর্ঘদিন মাঠের বাইরে থাকার পর বিজয় হাজারে ট্রফিতে মাঠে ফেরেন। মুম্বইকে নেতৃত্ব দিতেও দেখা যায় শ্রেয়সকে। প্রত্যাবর্তনেই রানে ফেরেন। একটুর জন্য হাতছাড়া হয় শতরান। দেশের জার্সিতে কামব্যাকে মাত্র এক রানের জন্য অর্ধশতরান হাতছাড়া হয়।