আজকাল ওয়েবডেস্ক: সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি ভাইরাল ভিডিওতে আবার ভারতের জার্সি গায়ে চাপালেন শচীন তেন্ডুলকর। ফিরিয়ে আনলেন সেই স্মরণীয় মুহূর্ত। বিশ্বকাপ জয়ের ১৫তম বার্ষিকীতে ফ্ল্যাশব্যাকে ফিরে যান মাস্টার ব্লাস্টার। চোখের সামনে ফিরিয়ে আনেন সেই দিনটিকে। সেই রাত কোটি কোটি ভারতবাসীর হৃদয়ে বন্দি। স্মৃতি টাটকা। ঘরের মাঠে ২০১১ বিশ্বকাপ জেতে ভারত। গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেন শচীন। ক্রিকেটজীবনের শেষ বিশ্বকাপে ইতিহাসের সাক্ষী থাকেন কিংবদন্তি। দীর্ঘ খরা কাটিয়ে ঘরের মাঠে বিশ্বকাপ হাতে তোলেন। একইসঙ্গে ভারতের সর্বোচ্চ রান সংগ্রহকারী হন।
নিজের এক্স হ্যান্ডেলে একটি ভিডিও পোস্ট করেন শচীন। তাতে সমস্ত আবেগ ঢেলে দেন। ঐতিহাসিক মুহূর্তের গুরুত্বের কথা তুলে ধরেন। শচীন লেখেন, 'প্রথম বলে সবসময় বুক দুরুদুরু করে। সেই রাতে সেটা থামেনি। ১৫ বছর পরও সেটা থামেনি। আমরা সবাই একসঙ্গে ক্রিকেটার হিসেবে বেড়ে উঠেছি। সবার একটাই স্বপ্ন ছিল। ভারতের হয়ে বিশ্বকাপ জেতা। যারা এই স্বপ্নের যাত্রায় অঙ্গ ছিল, তাঁদের এবং সব ফ্যানদের ধন্যবাদ। এই ঐতিহাসিক মুহূর্তকে বিশেষ করে তোলার জন্য সবাইকে ধন্যবাদ। জয় হিন্দ।'
বিশ্বকাপ জয় ভারতের ক্রীড়াক্ষেত্রে ঐতিহাসিক ঘটনা। দীর্ঘদিনের স্বপ্নপূরণ হয়। নিজের ছয় নম্বর বিশ্বকাপে এসে দলগত সাফল্য পান শচীন। ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে প্রথম ব্যাট করে নির্ধারিত ওভারের শেষে ৬ উইকেট হারিয়ে ২৭৪ রান তোলে শ্রীলঙ্কা। অপরাজিত ১০৩ রান করেন মাহেলা জয়বর্ধনে। ঘরের মাঠে শ্রীলঙ্কার বড় রান তাড়া করতে নেমে সমস্যায় পড়ে ভারত। কোনও রান না করে ফিরে যান বীরেন্দ্র শেহবাগ। ৯৭ রান করে দলকে লড়াইয়ে রাখেন গৌতম গম্ভীর। শতরান হাতছাড়া হলেও ভারতীয় ইনিংসের ভিত গড়েন। ম্যাচ জেতানো পারফরম্যান্স এমএস ধোনির। যুবরাজ সিংয়ের সঙ্গে জুটিতে দলকে এগিয়ে নিয়ে যান। ২১ রান করেন যুবি। শেষে ছক্কা হাঁকিয়ে ম্যাচ জেতান ক্যাপ্টেন কুল। ১০ বল বাকি থাকতে ১০ উইকেটে জেতে ভারত। ৭৯ বলে ৯১ রান করেন ধোনি। ১৯৮৩ সালের পর ভারতের প্রথম বিশ্বকাপ জয়। অবশেষে কাটে ২৮ বছরের খরা। ১৫ বছর পর সোশ্যাল মিডিয়ায় মাধ্যমে সেই দিনটিকে আবার ফিরিয়ে আনলেন শচীন।
















