আজকাল ওয়েবডেস্ক: প্রথম ইনিংসের পরেই হার মেনে নিয়েছিল পাকিস্তান। ম্যাচের রেজাল্ট হলও তাই। চিরপ্রতিদ্বন্দ্বীদের দুরমুশ করে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ অভিযান শুরু করল টিম ইন্ডিয়া। ব্যাট হাতে জ্বলে উঠলেন ভাইস ক্যাপ্টেন স্মৃতি মান্ধানা, রিচা ঘোষ। বল হাতে ইতিহাস গড়লেন দীপ্তি শর্মা। চার ওভার বল করে মাত্র ১০ রান দিয়ে একাই পাঁচ উইকেটে নিলেন তিনি। টসে জিতে প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেয় ভারত। তবে শুরুটা মোটেও স্বস্তির হয়নি। মাত্র ১৮ রানে ২ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে গিয়েছিল ভারত। সেখান থেকে ইনিংসের হাল ধরেন স্মৃতি মন্ধানা। শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক মেজাজে ব্যাট করে ৪৪ বলে ৬৮ রানের অসাধারণ ইনিংস খেলেন মান্ধানা। তাঁর ব্যাট থেকে আসে ৯টি চার ও ২টি ছক্কা। অধিনায়ক হরমনপ্রীত কৌরের সঙ্গে তৃতীয় উইকেটে ৬৩ বলে ৯১ রানের গুরুত্বপূর্ণ জুটি গড়ে ভারতের ইনিংসকে বড় স্কোরের দিকে নিয়ে যান তিনি। হরমনপ্রীতও ৩৫ বলে ৩৬ রানের কার্যকর ইনিংস খেলেন। শেষ দিকে ইনিংসের গতি আরও বাড়িয়ে দেন রিচা ঘোষ। মাত্র ১৭ বলে ৩৪ রানের বিস্ফোরক ক্যামিও খেলেন তিনি। ফলে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৬ উইকেট হারিয়ে ১৭০ রানের শক্ত ভিত গড়ে ভারত। ১৭১ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরু থেকেই চাপে পড়ে গিয়েছিল পাকিস্তান। ওপেনার মুনিবা আলি যতক্ষণ ক্রিজে ছিলেন ততক্ষণ অন্তত একটা আশা ছিল পাকিস্তানের। তিনি রান আউট হতেই সমস্ত আশা শেষ হয়ে যায় পাকিস্তানের। ভারতের বোলিং ও ফিল্ডিংয়ের সামনে একের পর এক উইকেট হারাতে থাকে তারা। বড় ধাক্কা আসে অধিনায়ক ফাতিমা সানার উইকেটে। মাত্র তিন বল খেলে শূন্য রানে ফেরেন তিনি। শেফালি ভার্মার বলে বড় শট খেলতে গিয়ে কভারে স্মৃতি মান্ধানার হাতে ক্যাচ তুলে দেন পাকিস্তান অধিনায়ক। ম্যাচের আগে টসের সময় ভারত-পাকিস্তানের ‘নো হ্যান্ডশেক’ বিতর্কও নজর কেড়েছিল। তবে মাঠে তার কোনও প্রভাব পড়তে দেয়নি ভারতীয় দল। এদিন দাপটের সঙ্গেই ম্যাচ জিতে বিশ্বকাপ অভিযান শুরু করল ভারত। ব্যাট ও বল—দুই বিভাগেই আধিপত্য দেখিয়ে বড় মঞ্চে নিজেদের দাবিদার হিসেবে তুলে ধরল হরমনপ্রীতের দল।