আজকাল ওয়েবডেস্ক: ভারত–পাক ম্যাচেও এই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল। তবে ফাইনালের আগে যেন আমেদাবাদে হোটেল ভাড়া ও গুজরাট আসার বিমান ভাড়া আরও বেড়ে গেল। রবিবার আমেদাবাদের নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়ামে ফাইনালে মুখোমুখি ভারত–অস্ট্রেলিয়া। শহরের হোটেলে নেই জায়গা। ভাড়া শুনলে চোখ কপালে উঠবে।
রবিবার ম্যাচের দিন রাতে পাঁচতারা হোটেলে রুমের ভাড়া ১.২৫ লক্ষ থেকে ২ লক্ষ টাকায় পৌঁছে গেছে।
গুজরাটের হোটেল ও রেস্তরাঁ সংস্থার সভাপতি নরেন্দ্র সোমানি বলেছেন, ‘শুধু ভারত নয়, দুবাই, অস্ট্রেলিয়া, দক্ষিণ আফ্রিকা থেকেও মানুষ এসেছেন খেলা দেখতে। আর গুজরাটে তিনতারা ও পাঁচতারা হোটেলে সর্বসাকুল্যে ঘর রয়েছে ৫ হাজার। আর গোটা গুজরাটে সংখ্যাটা ১০ হাজার। সেখানে নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়ামে আসন সংখ্যা ১ লক্ষ ২০ হাজার। আর খেলা উপলক্ষ্যে বাইরে থেকে আসছেন অন্তত ৩০ থেকে ৪০ হাজার দর্শক।’ এই পরিস্থিতিতে হোটেলের চাহিদা বাড়ায় দামও বেড়েছে বলে জানান সোমানি।
তিনতারা হোটেলে ৫০ হাজার থেকে ১ লক্ষ ২৫ হাজার টাকায় মিলছে একটি ঘর। এই পরিস্থিতিতে শুধু আমেদাবাদ নয়, পার্শ্ববর্তী শহরেও হোটেল রুমের চাহিদা হু হু করে বেড়ে গেছে।
যেমন আইটিসি নর্মদা ও হায়াত রিজেন্সিতে একটি রুমের ভাড়া ২ লক্ষ টাকায় গিয়ে ঠেকেছে। আবার সিজি রোডে হোটেল ক্রাউনে এমনি সময়ে ৩ থেকে ৪ হাজারে ঘর পাওয়া যায়। এখন তা মিলছে ২০ হাজারে। আমেদাবাদ আসার বিমান ভাড়া যেখানে ৫ হাজার, এখন তা ১৬ থেকে ২৫ হাজার পর্যন্ত গিয়ে ঠেকেছে। তবুও দর্শকরা নাছোড়বান্দা। মাঠে বসে চাক্ষুস করতে চান ফাইনাল।
রবিবার ম্যাচের দিন রাতে পাঁচতারা হোটেলে রুমের ভাড়া ১.২৫ লক্ষ থেকে ২ লক্ষ টাকায় পৌঁছে গেছে।
গুজরাটের হোটেল ও রেস্তরাঁ সংস্থার সভাপতি নরেন্দ্র সোমানি বলেছেন, ‘শুধু ভারত নয়, দুবাই, অস্ট্রেলিয়া, দক্ষিণ আফ্রিকা থেকেও মানুষ এসেছেন খেলা দেখতে। আর গুজরাটে তিনতারা ও পাঁচতারা হোটেলে সর্বসাকুল্যে ঘর রয়েছে ৫ হাজার। আর গোটা গুজরাটে সংখ্যাটা ১০ হাজার। সেখানে নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়ামে আসন সংখ্যা ১ লক্ষ ২০ হাজার। আর খেলা উপলক্ষ্যে বাইরে থেকে আসছেন অন্তত ৩০ থেকে ৪০ হাজার দর্শক।’ এই পরিস্থিতিতে হোটেলের চাহিদা বাড়ায় দামও বেড়েছে বলে জানান সোমানি।
তিনতারা হোটেলে ৫০ হাজার থেকে ১ লক্ষ ২৫ হাজার টাকায় মিলছে একটি ঘর। এই পরিস্থিতিতে শুধু আমেদাবাদ নয়, পার্শ্ববর্তী শহরেও হোটেল রুমের চাহিদা হু হু করে বেড়ে গেছে।
যেমন আইটিসি নর্মদা ও হায়াত রিজেন্সিতে একটি রুমের ভাড়া ২ লক্ষ টাকায় গিয়ে ঠেকেছে। আবার সিজি রোডে হোটেল ক্রাউনে এমনি সময়ে ৩ থেকে ৪ হাজারে ঘর পাওয়া যায়। এখন তা মিলছে ২০ হাজারে। আমেদাবাদ আসার বিমান ভাড়া যেখানে ৫ হাজার, এখন তা ১৬ থেকে ২৫ হাজার পর্যন্ত গিয়ে ঠেকেছে। তবুও দর্শকরা নাছোড়বান্দা। মাঠে বসে চাক্ষুস করতে চান ফাইনাল।
















